বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এসব শেয়ার বিক্রি করবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৪১ টাকা ৬৯ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৮৪ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৬ টাকা ৩১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এর আগে ২০২৩ ও ২০২২ হিসাব বছরে সাড়ে ১৭ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
প্রাইম ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রাইম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ২১৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৩০১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১২১ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার ৯১। এর ৩৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৪ দশমিক ৯৪, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৬ দশমিক ৫১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










