সামরিক খাতে ব্যয় বাড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। ২০২৩ সালে প্রতিরক্ষা খাতে দেশগুলোর সামরিক খাতে ব্যয় ছিল জিডিপির ৪ দশমিক ২ শতাংশ, যা বৈশ্বিকভাবে সর্বোচ্চ। গাজা যুদ্ধের জেরে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। এমনটাই উঠে এসেছে সুইডেনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) গবেষণায়। খবর দ্য ন্যাশনাল নিউজ।
জিডিপির অনুপাতে সামরিক ব্যয়কে অভিহিত করা হয় ‘মিলিটারি বার্ডেন’ হিসেবে। কোন দেশ তার সামরিক খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করছে, তা পরিমাপ করা হয় মিলিটারি বার্ডেন দিয়ে। এসআইপিআরআইয়ের দাবি অনুসারে, ২০২৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ‘মিলিটারি বার্ডেন’ গড়ে দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ব্যয় সবচেয়ে বেশি বেড়েছে লেবাননে। দেশটিতে জিডিপির বিপরীতে সামরিক ব্যয় বেড়েছে ৬ শতাংশীয় পয়েন্ট। এছাড়া ইসরায়েলের বেড়েছে দশমিক ৯ শতাংশীয় পয়েন্ট এবং সৌদি আরবের বেড়েছে দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ব্যয় ২০২৩ সালে ৯ শতাংশ বেড়ে ২০ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েল গাজা সংঘাতের কারণে যে ভূরাজনৈতিক টানাপড়েন তৈরি হয়েছে, তা গোটা অঞ্চলের সামরিক ব্যয় বৃদ্ধিতে অনুঘটকের ভূমিকা রেখেছে। সামরিক খাতে অঞ্চলের সবচেয়ে বড় তিন দেশ হলো সৌদি আরব, ইসরায়েল ও তুরস্ক। ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের মিডল-ইস্ট ইনস্টিটিউটের গবেষক জ্যাঁ-লুঁ সামান বলেন, ‘গত বছরগুলোয় সামরিক খাতে ব্যয় কমে গিয়েছিল মহামারীর কারণে। কিন্তু গাজায় যুদ্ধের সূত্র ধরে নতুন করে বাড়ছে সামরিক খাতের ব্যয় প্রবণতা।’
গবেষণা অনুসারে, গাজায় যুদ্ধের সূত্র ধরে ইসরায়েলের ব্যয় বেড়েছে ২৪ শতাংশ। ব্যয় পৌঁছেছে ২ হাজার ৭৫০ কোটি ডলারে।










