আমাদের আবাস এ পৃথিবীর সার্বিক পরিবেশ নানাবিধ প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণে প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। পরিবর্তনের এ ধারায় আক্রান্ত হচ্ছে ভূমি, হুমকির মুখে খাদ্যনিরাপত্তা, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বাস্তুতন্ত্র, পানিচক্রসহ সামগ্রিক পরিবেশ। বিশ্বব্যাপী ক্রম-অবনতিশীল পরিবেশের সুরক্ষার লক্ষ্যে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সুইডেনের স্টকহোমে ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত হয় মানব-পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এ সম্মেলন থেকে ৫ জুনকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। পরিবেশগত বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ১৯৭৪ সাল থেকে নিয়মিতভাবে দিবসটি পালন করা শুরু হয়। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি কর্তৃক ২০২৫ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘‌Ending Plastic Pollution’ বা ‘প্লাস্টিক দূষণের ইতি টানা’। বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ওই থিমের আলোকে এবারে স্লোগান নির্ধারণ করেছে ‘‌প্লাস্টিক দূষণ আর নয়, বন্ধ করার এখনই সময়’ এ শিরোনামে।

প্লাস্টিক হলো কৃত্রিমভাবে তৈরি পলিমার, যা মূলত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে রাসায়নিকভাবে তৈরি করা হয়। সর্বপ্রথম ১৮৫৫ সালে আলেকজান্ডার পার্কস প্লাস্টিক আবিষ্কার করে নাম দেন ‘‌পার্কেসিন’। ১৯০৭ সালে লিও বেকল্যান্ড সম্পূর্ণ সিনথেটিক প্লাস্টিক আবিষ্কার করে নামকরণ করেন ‘‌বেকেলাইট’ এবং তিনিই প্রথম ‘‌প্লাস্টিক’ শব্দটি ব্যবহার করেন। ব্যবহারের বহুমুখিতা, স্বল্প উৎপাদন খরচ, সহজ উৎপাদন এবং সুলভ ইত্যাদি কারণে প্লাস্টিক আবিষ্কারের পর থেকেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা ব্যাপক আকারের এ প্লাস্টিকপণ্য সামগ্রী বর্তমান পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। প্লাস্টিক দূষণ হলো পরিবেশ কর্তৃক প্লাস্টিক বর্জ্যের আহরণ, যা পরবর্তী সময়ে সামুদ্রিক ও বন্যপ্রাণীসহ তাদের আবাসস্থল, জল, স্থল এবং সর্বোপরি মানবগোষ্ঠীর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আকারের ওপর ভিত্তি করে প্লাস্টিককে মাইক্রো, ম্যাক্রো এবং মেসো এ তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। জীববিজ্ঞানী রিচার্ড থম্পসন ১৯৯৩ যুক্তরাজ্যের সৈকত পরিষ্কারের সময় বিভিন্ন রঙিন বালুর সন্ধান পান এবং সেই বালুর রহস্য উন্মোচন করতে গিয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা আবিষ্কার করেন থম্পসন। প্লাস্টিকের ক্ষুদ্রতম কণাকে বলা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক, যা মূলত দশমিক ২ ইঞ্চি বা ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ক্ষুদ্র কণার প্লাস্টিক। বিভিন্ন গবেষণায়, গ্রাম-শহরে দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারকৃত স্যাম্পু, সাবান, ফেসওয়াশ, বডিওয়াশ, সেভিং ফোম, পাউডার, ডিটারজেন্ট, পেস্ট, নেলপলিশ, মিনারেল ওয়াটার, প্লাস্টিক মোড়কজাত খাবার ইত্যাদি সামগ্রীতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি লক্ষণীয়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের গবেষণায় দেখা যায়, মুদিদোকানের পণ্য ব্যবহার করা প্লাস্টিক ব্যাগ মাটিতে মিশতে সময় লাগে প্রায় ২০ বছর; চা, কফি, জুস তথা কোমল পানীয়ের প্লাস্টিক কাপের ক্ষেত্রে সময় লাগে ৫০ বছর; অন্যদিকে ডায়াপার ও প্লাস্টিক বোতল অপচন অবস্থায় প্রকৃতিতে বিদ্যমান থাকে প্রায় ৪৫০ বছর।

শিল্পায়ন ও নগরায়ণের সঙ্গে সঙ্গে প্লাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহর এলাকায় মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনবৈচিত্র্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। খাবার, দৈনন্দিন বাজার, শপিং, সুপারশপ, অনলাইন কেনাকাটা প্রতিটি পণ্যে ও মোড়কে দিন দিন ব্যবহার বাড়ছে প্লাস্টিকের, ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ। প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদন এবং দূষণে চীন পৃথিবীতে প্রথম। বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় ৮ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়, এর মধ্যে ৩৬ শতাংশ পুনঃচক্রায়ন, ৩৯ শতাংশ ভূমি ভরাট এবং অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ সরাসরি আমাদের পরিবেশে দূষক হিসেবে যোগ হচ্ছে। এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, আমরা প্রতি মিনিটে প্রায় ১০ লাখ প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার করছি এবং এভাবে সারা পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার কোটি প্লাস্টিক ব্যাগের বর্জ্য তৈরি করছি। সমুদ্রে প্রায় পাঁচ ট্রিলিয়নের বেশি প্লাস্টিক ভেসে থাকে এবং প্রতি বছর ১৪ মিলিয়ন টনের বেশি প্লাস্টিক প্রতিনিয়ত সমুদ্রে জমা হচ্ছে। সমুদ্র থেকে আহরিত প্রতি তিনটি মাছের মধ্যে ১টি মাছের পেটে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য একক সর্বাধিক হুমকিস্বরূপ। যেমন সামুদ্রিক মৎস্য, কাছিম, তিমি ও সামুদ্রিক পাখির খাদ্য ও জীবন প্রণালিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। প্লাস্টিক দূষণের ফলে প্রতি বছর ১০ লাখ সামুদ্রিক পাখি ও এক লাখ সামুদ্রিক প্রাণী মৃত্যুবরণ করে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু তিমি ও মাছের মৃত্যুর পর তাদের পাকস্থলীতে প্লাস্টিকের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে বলেছেন, সমুদ্রে বর্তমানে ৫ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন মাইক্রো ও ম্যাক্রোপ্লাস্টিকের কণা জমা হয়েছে এবং প্রতি বর্গমাইল সমুদ্রে রয়েছে ৪৬ হাজার প্লাস্টিক কণা এবং সমুদ্রে প্রতিদিন জমা হচ্ছে ৮০ লাখ টুকরা প্লাস্টিক। এসব প্লাস্টিক কণা মানুষ ও অন্যান্য জীবের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে নানাবিধ দুরারোগ্য রোগের সৃষ্টি করে।

মানুষের জীবনধারণের জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান হলো বিশুদ্ধ বাতাস। কিন্তু জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বায়ুদূষণের ব্যাপকতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। এছাড়া নিত্য ব্যবহার্য প্লাস্টিক বর্জ্য ক্রমাগত পরিবেশকে করে তুলছে বিপন্ন। এসব প্লাস্টিক বর্জ্য পরবর্তীতে তাপমাত্রা, অণুজীব ও নানা কারণে ভেঙে রূপান্তরিত হয় মাইক্রোপ্লাস্টিকে। বাতাসে মাইক্রোপ্লাস্টিকের অন্যতম একটি উৎস হলো কৃষিজমিতে ব্যবহারকৃত সার। এসব সার শুকিয়ে যাওয়ার পর তাতে বিদ্যমান থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক বাতাসে মিশে যায়। কৃষিজমিতে ব্যবহারকৃত রাসায়নিক সার থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বায়ুতে ছড়িয়ে পড়ার ফলে বায়ুদূষণ ত্বরান্বিত হচ্ছে। এমনকি সিনথেটিক কার্পেট ও কাপড় থেকেও মাইক্রো প্লাস্টিক বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব এবং ওজোন স্তর কমার পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষণ সাম্প্রতিক এক বিরাট বৈশ্বিক পরিবেশগত সমস্যা হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক আকারে ক্ষুদ্র হওয়ায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানে যেমন মাটি, পানি, বাতাসের সঙ্গে সহজে মিশে যাচ্ছে। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতিসংঘ পরিবেশ সম্মেলনে সামুদ্রিক প্লাস্টিক বর্জ্য দূষণ ’শীর্ষ ১০ জরুরি পরিবেশগত সমস্যা’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং মাইক্রোপ্লাস্টিকের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে দ্বিতীয় জাতিসংঘ পরিবেশ সম্মেলনে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ পরিবেশ ও পরিবেশবিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈজ্ঞানিক সমস্যা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। মিথেন একটি গ্রীণ হাউস গ্যাস যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী। আর মাটিতে দীর্ঘদিন বিদ্যমান থাকা প্লাস্টিক ভাঙনের মাধ্যমে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। সাধারণত মাটিতে বিভিন্ন প্রকার অণুজীব থাকে, যা প্লাস্টিক অণুর ভাঙনে সহায়তা করে। এসব অণুজীব ’নাইলোনেজ’ এনজাইম ক্ষরনের মাধ্যমে নাইলন অণুকে ভেঙে ফেলে। আর এই প্লাস্টিক অণুর ভাঙনের মাধ্যমে গ্রিনহাউজ গ্যাস মিথেন তৈরি হয়।

সিঙ্গেল ইউজ পলিথিন ব্যাগ প্লাস্টিক বর্জ্যের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক। কারণ এসব প্লাস্টিক যত্রতত্র ব্যবহার এবং ক্রটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনার ফলে খাল, নদী ও নালার স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা সমস্যা। প্লাস্টিক অপাচ্য পদার্থ হওয়ায় পুনঃচক্রায়ন না হওয়া পর্যন্ত এটি পরিবেশে বিদ্যমান থাকে। মানবদেহে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিকের ওপর বিভিন্ন ক্ষতিকর অণুজীব বাসা বাঁধে এবং মানুষের শরীরে থাকা হরমোনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, প্লাস্টিকের বিভিন্ন উপকরণ থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক মানুষের শরীরের রক্তে মিশে যাচ্ছে। মানুষের শরীরে যত প্রকার মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে তার মধ্যে বেশি পরিমাণ হলো পিইটি প্লাস্টিক। সাধারণত পানির বোতলগুলো এ ধরনের প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়। মাইক্রোপ্লাস্টিকে থাকা একাধিক রাসায়নিক আমাদের শরীরের রক্তে মিশে যাওয়ার পর বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধীরে ধীরে কর্মক্ষমতা কমে। একই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে বিভিন্ন সংক্রামণের আশঙ্কা তৈরি করে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, বাংলাদেশের বাজধানী ঢাকায় বার্ষিক মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহারের হার জাতীয় গড় থেকে তিন গুণের বেশি, যা বর্তমানে প্রায় ২২ দশমিক ২৫ কেজিতে দাঁড়িয়েছে। বাজধানী ঢাকায় প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়, যা সমগ্র বাংলাদেশের উৎপন্ন বর্জ্যের ১০ শতাংশ। প্লাস্টিক বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে বাংলাদেশ এখন প্রধান প্লাস্টিক দূষিত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় বলা হয়, চট্টগ্রাম শহরের ৪১টি ওয়ার্ডের ৫ মিলিয়নের বেশি জনসংখ্যা বছরে প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৯১৩ টন প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদন করে এবং উৎপাদিত প্লাস্টিক বর্জ্যের প্রায় ২৭ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য নালা, খাল ও জলাশয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির পাশাপাশি বাংলাদেশের লাইফলাইন খ্যাত কর্ণফুলী নদীতে মারাত্মক দূষণ সৃষ্টি করছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, কর্ণফুলী নদীতে পলিথিন ও প্লাস্টিকের বর্জ্যের ৩-৭ মিটার স্তর শনাক্ত করেছেন। কর্ণফুলী নদীতে ২০১৮ সালের ড্রেজিংয়ের সময় ২২ লাখ ঘনমিটার পলিথিনযুক্ত বালুমাটি উত্তোলন করা হয়।

প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন গৃহস্থালি পর্যায় থেকেই প্লাস্টিক ও পলিথিন জাতীয় বর্জ্য পৃথকভাবে সংগ্রহ করে পুনঃচক্রায়নের মাধ্যমে নতুন পণ্য তৈরির উদ্যোগ; সিঙ্গেল ইউজ পলিথিনের পরিবর্তে কাপড় অথবা পাটের ব্যাগের বাধ্যতামূলক ব্যবহার; প্লাস্টিক দূষণ ব্যবস্থাপনায় প্রণীত আইন ও বিধিমালাকে হালনাগাদ এবং সময়োপযোগী করা; প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সরকার, নাগরিক সমাজ, উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করা; প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস, পুনর্ব্যবহার, বর্জনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনে নাগরিকদের সচেষ্ট হওয়া; ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে প্লাস্টিক বজ্যের ক্ষতিকর দিক সম্বন্ধে ব্যাপক প্রচারণার ব্যবস্থা করা।

ড. মো. ইকবাল সরোয়ার: অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম