এজন্য অনেক সময় বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ কাটছাঁট করতে হয়। শিক্ষা খাতেও সঙ্গতই বরাদ্দ নানাভাবে কমে যায়। এসব কারণে চাহিদার বিপরীতে গবেষণায় বরাদ্দ কম থাকে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে আগের বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে এ বরাদ্দ ইউজিসি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে দেয়নি। তারাই এ অর্থের বিতরণ করবে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা গবেষণা করতে চাইলে এখন থেকে ইউজিসির কাছে আবেদন করতে হবে। এমন পদ্ধতিগত পরিবর্তনে গবেষণার প্রতি শিক্ষকদের আগ্রহ কমবে। ইউজিসির কাছে ছুটতে হবে, আবার আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা মোকাবেলা করতে হবে।
গবেষণা খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব আমার ধারণা এ বছর আরো দেখা যাবে। ইউজিসি সবসময়ই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর কথা বলে। সমস্যা হলো, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এ সুযোগ সীমিত। সরকার যদি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন নীতি তৈরি করে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রকৃত ব্যয়ের চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
ড. মোহাম্মদ কামরুল হাসান: উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়









