আমাদের চারপাশে নতুন করে মাথা তুলছে হিন্দু বিদ্বেষ, খ্রিস্টান বিদ্বেষ, নাস্তিক বিদ্বেষ, আহমদিয়া বিদ্বেষ, নারী বিদ্বেষ, এমনকি ভিন্নমতের মুসলমানের প্রতি প্রকাশ্য ঘৃণাও। মজার কথা হলো আমরা একই সঙ্গে দাবি করছি, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আমরা এখন বেশি শিক্ষিত, বেশি সচেতন, বেশি ‘কানেক্টেড’। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব, সব মিলিয়ে আমরা এখন ‘গ্লোবাল সিটিজেন’। কিন্তু সামান্য মতের অমিল হলেই দেখছি ঝগড়া, গালিগালাজ, চরিত্র হনন, এমনকি সহিংসতায় পর্যন্ত গড়িয়ে যায়। রাজনীতি, ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি—কোনো ক্ষেত্রেই যেন ভিন্নমত বা ভিন্ন পরিচয়ের জন্য জায়গাটা নেই। এ বাস্তবতার মাঝেই ‘সহনশীলতা’ শব্দটা নতুন করে ভাবতে হয়।
সহনশীলতা মানে কী? খুব সহজ করে বললে, আমি আপনার মতের সঙ্গে দ্বিমত হতে পারি, আপনার বিশ্বাসকে ভুলও মনে করতে পারি, কিন্তু এজন্য আপনাকে ‘কম মানুষ’ ভাবার বা আপনাকে অপমান ও সহিংসতার লক্ষ্য বানানোর অধিকার আমার নেই। আপনি অন্য ধর্মের, অন্য দলের, অন্য চিন্তার, তবু আপনি একজন মানুষ—এ স্বীকৃতি থেকেই সহনশীলতা শুরু।
এটা কোনো বইয়ের তত্ত্ব নয়, বাস্তব জীবনের সবচেয়ে কঠিন প্র্যাকটিস। আর বিশ্বরাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাস আমাদের খুব স্পষ্ট করে দেখিয়েছে, এ সহনশীলতা ভেঙে পড়লেই কী ভয়াবহ মূল্য দিতে হয়।
বসনিয়া ও হারজেগোভিনার যুদ্ধের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়। সেখানে জাতিগত পরিচয় আর ধর্মীয় পরিচয় একে অন্যের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে গিয়েছিল যে বসনিয়াক মানেই মুসলিম, সার্ব মানেই অর্থোডক্স, ক্রোয়াট মানেই ক্যাথলিক। যুগোস্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার পর যখন রাজনীতি ঘুরেফিরে ‘আমরা’ বনাম ‘ওরা’, ‘আমাদের ধর্ম’ বনাম ‘ওদের ধর্ম’ এ ভাষায় কথা বলতে শুরু করল, তখন মানুষের চোখ থেকে ধীরে ধীরে সরে গেল একটাই পরিচয়, মানুষ হওয়ার পরিচয়। স্রেব্রেনিৎসায় নিরস্ত্র হাজার হাজার মুসলিম পুরুষকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলো। বসনিয়ার বহু শহরে মসজিদ, বাড়ি, পুরো গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হলো। ‘ওরা অন্য ধর্মের’—এ বাক্য যখন সামাজিকভাবে স্বাভাবিক হয়ে যায়, তখন সহনশীলতার অভাব আর শুধু নৈতিক সমস্যা থাকে না, সরাসরি হত্যাযজ্ঞের ভিত্তি হয়ে ওঠে।
উত্তর আয়ারল্যান্ডের দীর্ঘ অস্থিরতার গল্পও আমাদের পরিচিত। ওপর থেকে দেখলে ওটা ছিল রাজনৈতিক সংঘাত, কে ব্রিটেনের সঙ্গে থাকবে, কে আলাদা আইরিশ রাষ্ট্র চায়। কিন্তু মাটির নিচে সেই সংঘাত ক্রমে ক্যাথলিক বনাম প্রোটেস্ট্যান্ট বিভাজনে গিয়ে ঠেকল। একজন মানুষ ক্যাথলিক হলেই তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘ওদের দলে’ ধরে নেয়া হলো, আর প্রোটেস্ট্যান্ট হলেই ‘আমাদের লোক’। চাকরি, বাসস্থান, পুলিশের আচরণ—সব জায়গায় বৈষম্য স্পষ্ট হয়ে উঠল। বোমা হামলা হলো, গুলি চলল, দশকের পর দশক ধরে প্রতিশোধমূলক হত্যায় সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি মরল। এখানে ধর্ম শুধু উপাসনার জায়গায় থাকল না, অসহিষ্ণুতার আগুনে তা রাজনীতির বারুদে পরিণত হলো।
শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধকে আমরা সাধারণত সিংহলি ও তামিল জাতিগত সংঘাত হিসেবে জানি। কিন্তু এ জাতিগত টানাপড়েনের ভেতরেও ছিল ধর্মীয় পরিচয়ের ছায়া, সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলিদের বড় অংশ বৌদ্ধ, আর তামিলদের মধ্যে অনেকেই হিন্দু বা খ্রিস্টান। বছরের পর বছর তামিলদের অধিকার নিয়ে টানা বৈষম্য, রাষ্ট্রের চোখে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের জীবনযাপন, তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখার অভ্যাস—এসব মিলেই অসহিষ্ণুতার পাহাড় তৈরি করল। পাহাড় যখন গড়ে ওঠে, তখন এক সময় তা ধসে পড়ে; সেই ধসই ছিল গৃহযুদ্ধ। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও কিছু উগ্র গোষ্ঠী বিভিন্ন সময় মুসলিম ও খ্রিস্টান সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধ থামালেই ঘৃণা থামে না, যদি সহনশীলতার পাঠ সমাজ সত্যি সত্যি না শেখে।
আমাদের খুব কাছের আরেকটি উদাহরণ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট। বৌদ্ধ–সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দেশে রোহিঙ্গারা বহুদিন ধরে প্রায় অদৃশ্য এক জাতি হিসেবে বেঁচে ছিল, নাগরিকত্ব নেই, ভোটাধিকার নেই, চলাচলে বাধা, শিক্ষা ও চিকিৎসায় বঞ্চনা। তবু তারা থাকছিল, বেঁচে ছিল। কিন্তু একসময় তাদের নিয়ে গুজব ছড়ানো শুরু হলো, ঘৃণামূলক ভাষণ বাড়তে লাগল, ধর্মের নামে বলা হলো, ‘ওরা আমাদের জন্য হুমকি’। এমনকি বৌদ্ধ ধর্মের করুণা ও অহিংসার শিক্ষা ব্যবহার না করে সেই ধর্মের নামেই ঘৃণা ও সহিংসতার ভাষা চলতে লাগল। শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনী ‘অভিযান’ চালিয়ে গ্রাম জ্বালিয়ে দিল, মানুষ হত্যা করল, লাখ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এল। এখানে ধর্মের মূল শিক্ষা নয়, বরং অসহিষ্ণু মানসিকতা বাস্তবতাকে নিয়ন্ত্রণ করল।
এ উদাহরণগুলো শুধু অতীত বা ‘ওদের দেশ’র গল্প নয়। এগুলো আসলে আধুনিক পৃথিবীর একটি অস্বস্তিকর সত্য তুলে ধরে, যখনই কোনো সমাজে ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন মত বা ভিন্ন পরিচয়ের মানুষকে ‘কম মানুষ’ হিসেবে দেখা শুরু হয়, তখন থেকে ধীরে ধীরে সহনশীলতা ভেঙে পড়তে থাকে। কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংখ্যালঘুদের অধিকার কাটতে থাকে, কেউ ভয়ের রাজনীতি করে বলে, ‘ওরা আমাদের ধর্ম, আমাদের দেশ, আমাদের সংস্কৃতির শত্রু’। এ ভাষা যখন প্রতিদিনের কথাবার্তায় স্বাভাবিক হয়ে যায়, তখন সংলাপের রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যায় আর ঘৃণার রাজনীতি মাথার ওপরে ঝুলে থাকা স্থায়ী বিপদে পরিণত হয়।
এখন প্রশ্ন হলো ধর্মের ভেতরে কি সহনশীলতার জায়গা নেই? আসলে আছে, বরং খুব গভীরভাবেই আছে। ইসলামে কুরআন বলে, ‘ধর্মের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই’, লা ইকরাহা ফিদ্দিন। অর্থাৎ কাউকে জোর করে বিশ্বাসে টেনে আনা যাবে না। আমাদের নবীকে আমরা দেখি মদিনার মাটিতে ভিন্ন গোত্র আর ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে একধরনের সামাজিক চুক্তি করেছেন, তাদের অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। মুসলিম না হয়েও কেউ ন্যায়বিচার চাইলে তার পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা এখান থেকেই আসে।
হিন্দু দর্শনে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ পৃথিবীই এক পরিবার এ ধারণা আমাদের শেখায়, মানুষের পরিচয়ের আগে মানুষের মানবিকতা। খ্রিস্টীয় শিক্ষায় প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কথা শুধু একই ধর্মাবলম্বীর জন্য নয়, অন্য বিশ্বাসের মানুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অর্থাৎ বিভিন্ন ধর্মীয় ঐতিহ্যের গভীরে তাকালে আমরা দেখি, সহনশীলতা কোনো বিদেশী বা নতুন ধারণা নয়; বরং ধর্মের নৈতিক কেন্দ্রের অংশই। সমস্যা হলো আমরা যখন এ নৈতিক ভিত্তি ভুলে গিয়ে ধর্মকে কেবল ক্ষমতার রাজনীতি আর ঘৃণার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করি, তখনই সংকট তৈরি হয়।
সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় কোনো সমাজই একরঙা নয়। একই দেশের ভেতর বিভিন্ন ধর্ম, বিভিন্ন ভাষা, বিভিন্ন শ্রেণী ও মতাদর্শের মানুষ একসঙ্গে থাকে। বাস্তব এ অবস্থার নাম বহুত্ববাদ। বহুত্ববাদ মানে সবাই এক হয়ে যাবে, তা নয়; বরং ভিন্ন থাকলেও একসঙ্গে বাঁচার চেষ্টা। রাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানে সব নাগরিককে সমান মর্যাদা দেয়া, আইনের চোখে ধর্ম-জাতি-লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার সমানাধিকার, এগুলো কাগজে যদি থাকে, তবু যদি সমাজে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ও অপমানকে নিতান্ত ‘স্বাভাবিক’ বলে ধরা হয়, তাহলে বাস্তবে সহনশীলতা টেকে না। আমাদের নিজের দেশেও আমরা মাঝে মাঝেই এর নমুনা দেখি, আইনে সমতা লেখা থাকলেও বাস্তবে কোনো কোনো পরিচয় যেন সবসময় সন্দেহের চোখে দেখা হয়।
এখানে পরিবার ও শিক্ষার কথা না বললে অন্যায় হবে। সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মানুষ আচরণ শেখে পরিবার, স্কুল, বন্ধু ও মিডিয়ার মাধ্যমে, এটা সামাজিকীকরণ। একটি শিশু প্রথমেই দেখে, ঘরের ভেতরে মতের অমিল হলে বড়রা কীভাবে কথা বলেন। বাবা-মা কি একে অন্যকে সম্মান রেখে তর্ক করছেন, নাকি অপমান আর চিৎকারে ভরে যাচ্ছে ঘর? গৃহকর্মী, ড্রাইভার বা অপেক্ষাকৃত দরিদ্র আত্মীয়দের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা হয়? সব সময় যদি ‘ওরা’ আর ‘আমরা’ ভাগ করে কথা বলা হয়, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সব সময় ছোট করা হয়, তাহলে সেই শিশুর মনে খুব স্বাভাবিকভাবে অসহিষ্ণুতার বীজ ঢুকে যায়। স্কুল-কলেজেও একই চিত্র। ইতিহাস শেখানো হয় কীভাবে? যদি সব সময় বলা হয় ‘আমরা সব সময় ভুক্তভোগী, অন্যরা সব সময় খলনায়ক’, তবে ছাত্ররা সহজেই পৃথিবীকে সাদা-কালো ভাগে দেখতে শেখে। তখন অন্য মত মানেই শত্রুতা, অন্য ধর্ম মানেই হুমকি। অথচ ইতিহাসকে এমনভাবে শেখানো যায়, যাতে নিজের বেদনার গল্প যেমন থাকে, তেমনি অন্যের দৃষ্টিও একটু বোঝার সুযোগ থাকে। সেখানে সহনশীলতার বীজ গজাতে পারে।
আমাদের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহনশীলতার সংকট আরো স্পষ্ট। ভিন্নমতের মানুষ মানেই যেন প্রতিপক্ষ না, সরাসরি শত্রু। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী দল নয়, ভিন্ন চিন্তার নাগরিককেও সন্দেহের চোখে দেখেন। ধর্মের ভাষা ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে কাবার করতে গিয়ে তাকে কখনো কাফের, কখনো নাস্তিক, কখনো দেশদ্রোহী বলে চিহ্নিত করা হয়। এতে গণতন্ত্রের প্রাণ শুকিয়ে যায়। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই তো এই যে কেউ একমত না হলেও তার কথা বলার অধিকার থাকবে; আমি তীব্র বিরোধিতা করতে পারি, কিন্তু তার মানবিক মর্যাদাকে অস্বীকার করার অধিকার আমার নেই।
ডিজিটাল যুগ এ সংকটকে আরেকবার সামনে এনে দিয়েছে। ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক আমাদের প্রায়ই এমন এক বুদ্বুদের ভেতর রাখে, যেখানে আমরা কেবল নিজের মতের সঙ্গে মিল আছে এমন কথা বেশি শুনি। ভিন্ন মতের কারো লেখা দেখলেই তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা যেন বিনোদনের একটা অংশ হয়ে গেছে। ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ, অঞ্চল—সবকিছু দিয়ে আমরা একে অন্যকে বিদ্ধ করি। এর মাঝেও সহনশীলতা মানে দাঁড়ায়, আপনি আমাকে যতই আক্রমণ করুন না কেন, আমি চেষ্টা করব ভাষা যেন এমন জায়গায় না যায়, যেখানে আপনার মানুষের মর্যাদায় আঘাত লাগে। আপনার বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করব, কিন্তু আপনাকে অমানুষ বানাতে চাইব না।
একটা সমাজে সহনশীলতা ভেঙে পড়লে আগে ভেঙে যায় আস্থা। মানুষ আর মানুষের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারে না। মনে হয়, ‘ও আমার বিপক্ষে, তাই ওর সব কথাই খারাপ।’ এরপর ভেঙে যায় সংলাপের ভাষা; তর্কের জায়গা দখল করে নেয় গালি আর হুমকি। ছোট বিরোধও তখন বড় সংঘাতে রূপ নিতে খুব বেশি সময় লাগে না।
তাই সহনশীলতা কোনো বিলাসিতা নয়, যা হাতে সময় থাকলে একটু চর্চা করলেই চলবে। এটা টিকে থাকার শর্ত। সহনশীল সমাজ মানেই তুলনামূলকভাবে নিরাপদ সমাজ, যেখানে ধর্ম, মত, দল, ভাষা, পরিচয়—সব ভিন্নতা নিয়েও মানুষ বাঁচতে পারে। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, সহনশীলতা দুর্বলতা নয়। নিজের বিশ্বাসে দৃঢ় থেকে অন্যের বিশ্বাস ও মর্যাদাকে স্বীকার করা সহজ কাজ নয়; বরং এ মানসিক শক্তিই আজকের পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
বসনিয়া, উত্তর আয়ারল্যান্ড, শ্রীলংকা, রোহিঙ্গা—এসব নাম আমাদের কাছে যেন শুধু দূরের গল্প না থাকে। এগুলো আসলে একেকটা আয়না, যেখানে আমরা আমাদের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎও দেখতে পাই। আজ যদি পরিবার, শিক্ষা, ধর্মীয় বয়ান আর রাজনীতির ভাষায় সহনশীলতার চর্চা না করি, যদি ভিন্ন ধর্ম বা মতের মানুষকে শত্রু বানিয়ে স্বস্তি পাই, তাহলে কাল কোনো এক ইতিহাস বইয়ে হয়তো আমাদের দেশের নামও যুক্ত হবে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও সংঘাতের উদাহরণ হিসেবে। সেই তালিকায় আমাদের নাম যেন না ওঠে, এ দায়িত্ব আজ আমাদের সবার।
আসিফ বিন আলী: ডক্টরাল ফেলো, জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র










