নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নতুন প্রশাসনের জন্য শীর্ষ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। তিনি প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা সংস্থা, কূটনীতি, বাণিজ্য, অভিবাসন এবং অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে মূল কিছু পদে যাদের দায়িত্ব দিতে পারেন সেই প্রাথমিক নিয়োগ ও শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বীদের নাম ঘোষণা করেছেন। খবর রয়টার্স।
নিয়োগপ্রাপ্ত এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা—
সুসি ওয়াইলস, চিফ অব স্টাফ
ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, তার দুই ক্যাম্পেইন ম্যানেজারের একজন সুসি ওয়াইলস হবেন তার হোয়াইট হাউস চিফ অব স্টাফ। ৬৭ বছর বয়সী ওয়াইলসকে একটি সফল ও কার্যকর নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালনার কৃতিত্ব দেয়া হচ্ছে।
টম হোমান, ‘বর্ডার জার’
ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসনের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের প্রাক্তন পরিচালক টম হোমান দেশের সীমানা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।
এলিস স্টেফানিক, জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত
রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান এলিস স্টেফানিককে ট্রাম্প জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। স্টেফানিক ট্রাম্পের একজন কট্টর সমর্থক এবং নিউইয়র্ক রাজ্য থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি।
লি জেলডিন, ইপিএ প্রশাসক
সাবেক কংগ্রেসম্যান লি জেলডিনকে পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি মার্কিন জ্বালানি নীতি পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
স্কট বেসেন্ট, সম্ভাব্য অর্থমন্ত্রী
ট্রাম্পের অন্যতম অর্থনৈতিক উপদেষ্টা স্কট বেসেন্টকে ট্রেজারি সেক্রেটারি পদে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি অর্থনীতি বিষয়ে ট্রাম্পের দর্শনকে সমর্থন করেছেন।
জন পলসন, সম্ভাব্য অর্থমন্ত্রী
ধনকুবের ও ট্রাম্পের দাতা জন পলসন ট্রেজারি সেক্রেটারি পদের আরেক শীর্ষ প্রার্থী। তিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিষয়ে ট্রাম্পের কৌশল সমর্থন করেন।
ল্যারি কুডলো, সম্ভাব্য অর্থমন্ত্রী
ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক ব্যক্তিত্ব ল্যারি কুডলো ট্রেজারি সেক্রেটারি পদে বিবেচিত হচ্ছেন। তিনি ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণে আগ্রহী।
রবার্ট লাইটহাইজার, সম্ভাব্য অর্থমন্ত্রী
ট্রাম্পের সাবেক মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য বিষয়ে দৃঢ় সম্পর্ক রেখেছেন। তিনি ট্রাম্পের নীতি সমর্থনকারী হিসেবে পরিচিত।
হাওয়ার্ড লুটনিক, সম্ভাব্য অর্থমন্ত্রী
ট্রাম্পের ট্রানজিশন টিমের কো-চেয়ার এবং ক্যান্টর ফিটজেরাল্ডের সিইও লুটনিক ট্রেজারি সেক্রেটারি পদে বিবেচিত হচ্ছেন।
লিন্ডা ম্যাকমাহন, সম্ভাব্য বাণিজ্যমন্ত্রী
পেশাদার রেসলিং সংস্থা ডব্লিউডব্লিউইয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লিন্ডা ম্যাকমাহন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিচার্ড গ্রেনেল, সম্ভাব্য পররাষ্ট্র মন্ত্রী
রিচার্ড গ্রেনেল ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে সুপরিচিত। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বা পররাষ্ট্র মন্ত্রী পদে বিবেচিত হচ্ছেন।
রবার্ট ও'ব্রায়েন, সম্ভাব্য পররাষ্ট্র মন্ত্রী
ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও'ব্রায়েন পররাষ্ট্র নীতি বিষয়েও সমান সক্রিয় এবং সম্ভাব্য প্রার্থী।
বিল হ্যাগার্টি, সম্ভাব্য পররাষ্ট্র মন্ত্রী
ট্রাম্পের নীতির পক্ষে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে টেনেসির সিনেটর বিল হ্যাগার্টির। তাকেও ট্রাম্পের প্রশাসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
মার্কো রুবিও, সম্ভাব্য পররাষ্ট্র মন্ত্রী
ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিও ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতির সমর্থক এবং সম্ভাব্য পররাষ্ট্র সচিব।
মাইক ওয়াল্টজ, সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
ফ্লোরিডার কংগ্রেসম্যান মাইক ওয়াল্টজ প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর পদের সম্ভাব্য প্রার্থী। তিনি চীনের বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানের জন্য পরিচিত।
কিথ কেলোগ, সম্ভাব্য জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা
অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল কিথ কেলোগ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
মার্ক গ্রিন, সম্ভাব্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি
গ্রিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সম্ভাব্য শীর্ষ প্রার্থী মার্ক গ্রিন এবং অভিবাসন নীতি প্রশ্নে কঠোর মনোভাবাপন্ন।
চ্যাড উলফ, সম্ভাব্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি
চ্যাড উলফ ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির অধীনে কাজ করেছেন এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি হিসেবে ফিরে আসতে পারেন।
জন র্যাটক্লিফ, সম্ভাব্য সিআইএ পরিচালক
সাবেক জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জন র্যাটক্লিফ ট্রাম্পের সমর্থক হিসেবে সিআইএ পরিচালক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী।
মাইক লি, সম্ভাব্য অ্যাটর্নি জেনারেল
ইউটার সিনেটর মাইক লি অ্যাটর্নি জেনারেল পদের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী এবং ট্রাম্পের একজন কট্টর সমর্থক।
কাশ প্যাটেল, সম্ভাব্য জাতীয় নিরাপত্তা পদে প্রার্থী
কাশ প্যাটেল ট্রাম্পের প্রতি অত্যন্ত অনুগত এবং জাতীয় নিরাপত্তা পদে প্রার্থী হতে পারেন। তবে কংগ্রেসে তিনি পদ নিশ্চিতকরণ নিয়ে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারেন।










