শাহিন শাহ আফ্রিদি ওয়ানডে খেলেছেন ৬৬টি। যদিও ফয়সালাবাদে আজকের ম্যাচটি তার জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ক্যারিয়ারের ৬৭তম ওয়ানডে ম্যাচে তিনি টস করতে নামেন অধিনায়ক হিসেবে। প্রথম টস তিনিই জিতেছেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এ ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৬৪ রান টার্গেট দিতে সমর্থ হয় প্রোটিয়ারা। জবাব দিতে নেমে দুই উইকেট আর দুই বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছায় আফ্রিদির দল।

অভিষিক্ত হুয়ান-ড্রে প্রিটোরিয়াস ও কুইন্টন ডি ককের ফিফটিতে ভর করে আড়াইশ রানের পুঁজি পায় সফরকারী দল। প্রিটোরিয়াস ৬০ বলে ৫৭ ও ডি কিক ৭১ বলে ৬৩ রান করেন। এছাড়া ম্যাথিউ ব্রিটজকি ৪২ ও করবিন বশ ৪১ রান করেন। পাকিস্তানের আবরার আহমেদ তিনটি এবং সাইম আইয়ুব ও নাসিম শাহ দুটি করে উইকেট নেন।

জবাব দিতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে পাকিস্তান পায় ৮৭ রান। বেশ ভালো শুরুর পর সাইম আইয়ুব ৩৯ রান করে আউট হলে ভাঙে এ জুটি। আরেক ওপেনার ফখর জামান করেন ৫৭ বলে ৪৫ রান। তিনে নেমে বাবর আজম ১২ বলে ৭ রান করে আউট হন। এরপর বড় জুটি গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘা। ৯১ রান আসে সেই জুটি থেকে। পরে ৫৫ রান করে রিজওয়ান আউট হলে সালমানের সঙ্গে ৪৫ রানের জুটি গড়েন হুসাইন তালাত। তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। তালাতের ফেরার পরের দুই ওভারে আউট হন সদ্য মাঠে আসা হাসান নওয়াজ ও সালমান। ৭১ বলে ৬২ রান করেন সালমান। তার পর ৯ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ নওয়াজ। তবে তখন স্কোর লেভেল। অধিনায়ক শাহীনের ব্যাট থেকে আসে পাকিস্তানের জয়সূচক রান। দুই উইকেট আর দুই বল হাতে রেখে ম্যাচ জেতে স্বাগতিকরা।

টেস্ট সিরিজটা ১-১-এ ড্র হয়। টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেয় পাকিস্তান।এবার ওয়ানডে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল আফ্রিদিরা।

স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা: ৪৯.১ ওভারে ২৬৩ (প্রিটোরিয়াস ৫৭, ডি কক ৬৩, ডি জর্জি ১৮, ব্রিটস্কি ৪২, কেশিলে ২২, ফেরেইরা ৩, লিন্ডা ২, বশ ৪১, ফোরটান ০, এনগিডি ০*, উইলিয়ামস ১; আফ্রিদি ১০-০-৫৫-১, নাসিম ৯.১-১-৪০-৩, সালমান ৩-০-৩০-০, আবরার ৯-১-৫৩-৩, সাইম ৮-০-৩৯-২, মোহাম্মদ নাওয়াজ ১০-০-৪৫-১)

পাকিস্তান: ৪৯.৪ ওভারে ২৬৪/৮ (ফাখার ৪৫, সাইম ৩৯, বাবর ৭, রিজওয়ান ৫৫, সালমান ৬২, তালাত ২২, হাসান নাওয়াজ ১, মোহাম্মদ নাওয়াজ ৯, আফ্রিদি ৪*, নাসিম ০*; এনগিডি ৯-০-৪৬-২, উইলিয়ামস ৭-০-৩৬-০, ফেরেইরা ৯-০-৫৩-২, বশ ৬.৪-০-৩২-২, লিন্ডা ৮-০-৪৯-১, ফোরটান ১০-০-৩৮-১)