কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরলেন থিয়াগো আলমাদা। দ্বিতীয়ার্ধে তার দুর্দান্ত গোলে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১–১ গোলে ম্যাচ ড্র করল আর্জেন্টিনা। এর ম্যাচে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে শেষ ২০ মিনিটের বেশি সময় ১০ জনের দল ছিল আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের প্রথম সুযোগটাই আসে লিওনেল মেসি এবং আলমাদার দুর্দান্ত ওয়ান–টু থেকে। তবে মেসির শট পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর কলম্বিয়া পাল্টা আক্রমণে উঠে আসে। আর্জেন্টিনার রাইট ফ্ল্যাংক দিয়ে বারবার চাপ সৃষ্টি করে নেস্তর লরেঞ্জোর দল।

২৪ মিনিটে লুইস দিয়াজ ডানদিক দিয়ে দারুণ গতিতে ড্রিবল করে ডিবক্সে ঢুকে গোল করে কলম্বিয়াকে ১–০ তে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধে আর গোল না হলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণে বার কয়েক হানা দিয়েছে কলম্বিয়া।

বিরতির পর আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি দুটি পরিবর্তন আনেন—রদ্রিগো ডি পলের বদলে নিকোলাস গঞ্জালেস এবং নাহুয়েল মোলিনার পরিবর্তে জুলিয়ানো সিমিওনে মাঠে নামেন।

গোলের জন্য মরিয়া আর্জেন্টিনা একাধিক সুযোগ তৈরি করে। নিকোলাস গঞ্জালেসের একটি শট গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলে এনজো ফার্নান্দেজ ফিরতি বলে শট নেন, কিন্তু বল চলে যায় বারের উপর দিয়ে।

এরপর মেসির একটি ফ্রি-কিক প্রতিহত হয় এবং গঞ্জালেসের শট লাগে পোস্টে। একের পর এক সুযোগ হারালেও আর্জেন্টিনা চাপে রাখে প্রতিপক্ষকে।

ম্যাচের ৭০ মিনিটে কলম্বিয়ান এক খেলোয়াড়কে বিপজ্জজনক চার্জ করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ। ১০ জনে পরিণত হওয়া আর্জেন্টিনায় সে মুহূর্তে স্কালোনি মেসিকে তুলে এজেকিয়েল প্যালাসিওস এবং ফাকুন্দো মেদিনার বদলে হুয়ান ফয়েথকে মাঠে নামান। খেলায় কিছুটা ভারসাম্য ফেরে।

ম্যাচের ৮১ মিনিটে থিয়াগো আলমাদা ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে বল পেয়ে দারুণ ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন আর সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। শেষ দিকে তিনি বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন। আর্জেন্টিনা জয় না পেলেও ১০ জনের দল যে লড়াই করে এক পয়েন্ট আদায় করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। আর সবার আগে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা স্কালোনির দলের সামনে এখন স্কোয়াড যাচাইবাছাইয়েরও অবারিত বিলাসিতা।