আবুধাবিতে আজ শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের হতাশার কারণ হয়ে ওঠা ইব্রাহিম জাদরানকে ৯৫ রনে আউট করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ডিপ মিডউইকেট তার ক্যাচ নেন রিশাদ হোসেন। ১৮৮ রানে অষ্টম উইকেটের পতন ঘটে আফগানদের। পরের ওভারে আল্লাহ গজনফরও বিদায় নেন। রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া রহমত শাহকে এরপর দেখা গেল হুইলচেয়ারে করে মাঠে ঢুকতে। তার মানে, আফগান ইনিংসের সমাপ্তি। এখন সিরিজে সমতা ফেরাতে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯১ রান। ছোট পুঁজি নিয়েও হাল ছাড়েনি আফগানিস্তান। স্পিন কিং রশিদ খান ১৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে অলআউট করে দেন ১০৯ রানে। টানা দুই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল আফগানরা।
টস জিতে ব্যাটিং নেয়া আফগানরা দলীয় ১৮ রানে রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ৩৮ রানে সেদিকুল্লাহ আতালকে হারায়। পঞ্চম ওভারে গুরবাজকে ফেরান তানজিম হাসান সাকিব, আর নবম ওভারে স্পিনার তানভীর ইসলামের শিকার হয়েছেন আতাল। দলীয় ৬৫ রানের সময় রহমত শাহ চোট নিয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। এরপর নতুন আসা দুই ব্যাটার হাশমতউল্লাহ শহিদি (৪) ও আজমতুল্লাহ ওমরজাই (০) দ্রুতই ফিরে যান সাজঘরে। শহিদিকে বোল্ড করেন মিরাজ, আর রিশাদ হোসেনে বলে তানজিমকে ক্যাচ তুলে দেন আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ওমরজাই।
অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবি ধীরে ধীরে বাংলাদেশের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে উঠলে তাকে বিদায় করেন তানজিম সাকিব। ২২ রান করে তিনি কভারে ক্যাচ দেন মিরাজকে। ইব্রাহিম জাদরানের সঙ্গে ৩৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ভোগানো খারোতি রানআউট হয়ে ফিরে গেছেন। তিনি করেছেন ১৩ রান। টেল-এন্ডার রশিদ খান মারমুখী ব্যাটিং করতে অভ্যস্ত। যদিও আজ তাকে দাঁড়াতেই দেননি বাংলাদেশ দলনায়ক। মাত্র ১ রান করে কভার পয়েন্টে ক্যাচ দেন তানভীর ইসলামকে।
৭ উইকেট হারানোর পর আল্লাহ গজনফরকে নিয়ে নিজের সেঞ্চুরি ও দলের দুশর দিকে ছোটা ইব্রাহিম জাদরানকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন মিরাজ। এরপর গজনফর ২২ রান করে রিশাদের শিকার হন। ৪৪.৫ ওভারশেষে আফগানদের সংগ্রহ ১৯০/৯।
মিরাজ ৩২ রানে ৩টি, তানজিম ৩৫ রানে ২টি ও রিশাদ ৩৭ রানে ২টি উইকেট নেন। তানভীর ইসলাম ৩৫ রানে নেন ১ উইকেট। তিন স্পিনার মিলে নেন ৬ উইকেট।










