আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৫২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০৯ রান তুলে জয়ের পথে দারুণভাবে হাঁটছিল বাংলাদেশ। যদিও এরপর অভাবনীয় পতন। ৯ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা! টাইগার শিবিরে তখন রাজ্যের হতাশা, আর আফগানরা জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু করে। যদিও সব উৎকন্ঠার অবসান ঘটিয়ে জিতেছে বাংলাদেশই। নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেন বাংলাদেশকে ৪ উইকেটের জয় এনে দেন ৮ বল হাতে রেখে।
শারজায় বৃহস্পতিবার রাতে তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমনের ফিফটিতে ভর করে বিনা উইকেটে একশ রান পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০৯ রানের সময় ফরিদ আহমাদের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ইমন। ৩৭ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫৪ রান করে বিদায় নেন তিনি। পরের ওভারে সাইফ হাসান (০) ও তানজিদকে আউট করেন বিশ্বখ্যাত লেগস্পিনার রশিদ খান। ৩৭ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫১ রান করেন তানজিদ। নিজের পরের ওভারে জাকের আলী (৬) ও শামীম হোসেনকেও (০) সাজঘরের পথ দেখান আফগান দলনায়ক রশিদ খান। বোর্ডে ১ রান যোগ হতে না হতেই বিদায় নেন তানজিম হাসান সাকিব। তাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন স্পিনার নূর আহমাদ (১১৮/৬)।
যদিও এরপর আর বিপদ হয়নি। সোহান ও রিশাদ ১৮ বলে ৩৫ রানের হার না মানা জুটিতে স্বস্তির জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।
এর আগে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারানোর পরও রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৩১ বলে ৪০) ও মোহাম্মদ নবির (২৫ বলে ৩৮) ব্যাটে ভর করে ৯ উইকেটে ১৫১ রানের সংগ্রহ পায় আফগানিস্তান। বাংলাদেশের তানজিম ও রিশাদ দুটি করে উইকেট নেন।
শুক্রবার একই মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। এদিনই সিরিজ জিতে নেয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। রোববার একই মাঠে একই সময়ে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এরপর আবুধাবিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে লড়বে দুই দল।










