আসামের গুয়াহাটিতে গতকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচে ১৭৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে ইংল্যান্ড। খুব কম দলই এখান থেকে কামব্যাক করতে পারে। যদিও এরপর আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৩ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটের স্বস্তির জয় তুলে নেয় চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
১১১ বলে ৭৯ রানের হার না মান ইনিংস খেলে এ জয়ের নায়ক হিদার নাইট। সপ্তম উইকেটে চালিং ডিনকে নিয়ে ১০০ বলের মোকাবেলায় ৭৯ রান যোগ করেন ৩৪ বছর বয়সী ব্যাটার।
অথচ আম্পায়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত না দিলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারতো। নায়ক হতেন হয়তো মারুফা আক্তার কিংবা ফাহিমা আক্তার কিংবা সোবহানা মোস্তারি। আম্পায়ারের দুটি সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে যায়। শূন্য রানে উইকেটের পেছনে নাইটের ক্যাচ নেন নিগার সুলতানা, আম্পায়ারও আঙুল তোলেন। তবে তৃতীয় আম্পায়ার সেই সিদ্ধান্ত বদলে দেন। আরেকবার ১৩ রানে জীবন পান নাইট। তার ক্যাচ মুঠোবন্দি করেন স্বর্ণা আক্তার। কিন্তু টিভি আম্পায়ার ভারতের গায়ত্রী ভেনুগোপালান তাকে আউট দেননি। গায়ত্রী স্বীকারও করেছেন, তিনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর নাইট নিজেও জানান, তিনিও নাকি ভেবেছিলেন আউট হয়ে গেছেন।
গতি ও সুইংয়ের ঝড় তুলে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনারকে শিকার করা মারুফাকে প্রশংসায় ভাসালেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাঁচটি সেঞ্চুরি করা নাইট। তিনি বলেন, ‘সে খুবই ভালো বোলার। তার বল শেষ মুহূর্তে সুইং করে, যা আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। সৌভাগ্যবশত, আমি কয়েকবার বেঁচে যাই।’
বাংলাদেশের কাছে প্রতিরোধের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাতালি শিভার-ব্র্যান্ট বলেন, ‘টুর্নামেন্টের আগে আমরা আলাপ করছিলাম যে, সবকিছু সহজ নাও হতে পারে। ফল আরো ভালো হতে পারতো, তবে আমরা জিততে পেরে খুশি।’










