ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছে আফগানিস্তান। তা-ও রেকর্ড ২০০ রানের বিশাল ব্যবধানে মিরাজদের হারাল হাশমতুল্লাহ শহিদির দল।

আবুধাবিতে মঙ্গলবার তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ইব্রাহিম জাদরান (১১১ বলে ৯৫ রান) ও মোহাম্মদ নবির (৩৭ বলে ৬২) ব্যাটে ভর করে তিনশ ছুঁই ছুঁই (২৯৩/৯) সংগ্রহ গড়ে আফগানরা। জবাব দিতে ২৭.১ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটাই আফগানদের সবচেয়ে বড় জয়। এর আগের বড় জয়টা ছিল ১৪২ রানে। ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে স্বাগতিকদের ১৪২ রানে হারিয়েছিলেন মোহাম্মদ নবি, রশিদ খানরা।

স্পিন কিং রশিদ খান আগের ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৭ রানে ৫ উইকেট। মঙ্গলবার শেষ ম্যাচে নিলেন ১২ রানে ৩ উইকেট। এছাড়া বিলাল সামি ৩৩ রানে নেন ৫ উইকেট।

এর আগে চমক দেখান নবি। ২৪৯ রানে নবম উইকেটের পতন ঘটলেও শেষ দুই ওভার থেকে ৪৪ রান তুলেছেন তিনি! ৪৪ রানের জুটিতে নবির ৩৮, বিলাল সামি কোনো রান করতে পারেননি। মাত্র ৩৫ বলে ক্যারিয়ারের ১৮তম ওয়ানডে ফিফটি করেন ৩৮ বছর বয়সী নবি। শেষ পর্যন্ত ৪ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় ৩৭ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন নবি।

৩ উইকেট হারিয়ে দুশর দিকে ছুটছিল আফগানিস্তান। ইব্রাহিম ছুটছিলেন সপ্তম ওয়ানডে সেঞ্চুরির দিকে। যদিও ব্যক্তিগত ৯৫ রানের সময় হয়ে যান রানআউট। আগের ম্যাচে ১৪০ বলে ৯৫ রান করে দলকে এনে দেন ১৯০ রানের পুঁজি। তার ব্যাটে ভর করেই সেদিন জিতেছিল আফগানরা। মঙ্গলবার ৭ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৯৫ রান করে আফগানদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

আফগানিস্তান: ৫০ ওভারে ২৯৩/৯ (জাদরান ৯৫, নবি ৬২, গুরবাজ ৪২; সাইফ ৩/৬, তানভীর ২/৪৬, হাসান ২/৫৭)। বাংলাদেশ: ২৭.১ ওভারে ৯৩ (সাইফ ৪৩; সামি ৫/৩৩, রশিদ ৩/১২)। ফল: আফগানিস্তান ২০০ রানে জয়ী। সিরিজ: আফগানিস্তান ৩-০তে জয়ী। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: বিলাল সামি (আফগানিস্তান)। প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ: ইব্রাহিম জাদরান (আফগানিস্তান)।