শারজায় তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতে নিল বাংলাদেশ। শুক্রবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪৮ রানের টার্গেটে ২ উইকেটের নাটকীয় জয় পায় টাইগাররা। এ মাঠে বৃহস্পতিবার প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। টানা দ্বিতীয় জয়ে সিরিজে ২-০তে এগিয়ে গেল জাকের আলীর দল।
রোববার শারজায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এবার আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করার মিশনে নামবে বাংলাদেশ দল।
শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং পাওয়া আফগানরা ৫ উইকেটে ১৪৭ রান তুলতে সমর্থ হয়। কোনো ফিফটি না পেলেও দলগত প্রচেষ্টায় লড়াইয়ের পুঁজি পায় রশিদ খানের দল। ইব্রাহিম জাদরান ৩৭ বলে ৩৮, রহমানউল্লাহ গুরবাজ ২২ বলে ৩০, মোহাম্মদ নবি ১২ বলে ২০ ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই ১৭ বলে ১৯ রান করেন। দুই স্পিনার নাসুম আহমেদ ২৫ রানে ও রিশাদ হোসেন ৪৫ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
এ ম্যাচে দুটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবের জায়গা নেন মো. সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম। বল হাতে ৪ ওভারে ১৩ রানের খরচায় ১ উইকেট নেয়া শরিফুল ব্যাট হাতে চমক দেখান। ৮ উইকেট হারিয়ে দল যখন হারের শঙ্কা তখন সাহসী ব্যাটিংয়ে ৬ বলে ১১ রান তুলে বাংলাদেশকে দারুণ এক জয় এনে দেন এ বামহাতি ব্যাটার। ১৯তম ওভারে নূর আহমাদকে ও ২০তম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে দুই বাউন্ডারি মেরে এক হল্কায় সব উৎকন্ঠা তাড়িয়ে দেশকে জয়ের আনন্দে ভাসান শরিফুল। অন্যপ্রান্তে অপরাজিত থাকা নুরুল হাসান সোহান ২১ বলে ৩১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। ৮ বলে ২১ রানের জুটি গড়েন এ দুজন।
এর আগে শামীম হোসেন ২২ বলে ৩৩ ও জাকের আলী ২৫ বলে ৩২ রান করেন। ১৪ বলে ১৮ রান করেন সাইফ হাসান। ২৪ রানে ৩ উইকেট পতনের পর চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৩৭ বলে ৫৬ রান যোগ করে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন জাকের আলী ও শামীম। পরে দলকে জেতান সোহান ও শরিফুল।
ওমরজাই ২৩ রানে ৪টি ও রশিদ খান ২৯ রানে ২টি উইকেট নেন।










