আবুধাবিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে ব্যক্তিগত ৯৫ রান করে আউট হয়েছেন ইব্রাহিম জাদরান! আজ ১১১ বলে ৯৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে তিনি রানআউটের শিকার হয়েছেন। এরপর আফগানরা দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারালেও মোহাম্মদ নবির অভিজ্ঞতায় ভর করে তিনশ ছুঁই ছুঁই (২৯৩/৯) সংগ্রহ গড়ে। জবাব দিতে ২০০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারের লজ্জা পেয়েছে বাংলাদেশ। ২৭.১ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে অলআউট হয়ে গেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এটাই আফগানদের সবচেয়ে বড় জয়। এর আগের বড় জয়টা ছিল ১৪২ রানে। ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে স্বাগতিকদের ১৪২ রানে হারিয়েছিলেন মোহাম্মদ নবি, রশিদ খানরা।

এর আগে ইব্রাহিম জাদরান ভিত গড়ে দেয়ার পর নবির দাপটে বড় সংগ্রহ পায় আফগানরা। ২৪৯ রানে নবম উইকেটের পতন ঘটলেও শেষ দুই ওভার থেকে ৪৪ রান তুলেছেন নবি! ৪৪ রানের জুটিতে নবির ৩৮, বিলাল সামি কোনো রান করতে পারেননি। মাত্র ৩৫ বলে ক্যারিয়ারের ১৮তম ওয়ানডে ফিফটি করেন ৩৮ বছর বয়সী নবি। শেষ পর্যন্ত ৪ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় ৩৭ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন নবি।

এর আগে ৩ উইকেট হারিয়ে দুশর দিকে ছুটছিল আফগানিস্তান। ইব্রাহিম ছুটছিলেন সপ্তম ওয়ানডে সেঞ্চুরির দিকে। যদিও ব্যক্তিগত ৯৫ রানের সময় গড়বড় করে ফেলেন তিনি, হয়ে যান রানআউট। আগের ম্যাচে ১৪০ বলে ৯৫ রান করে দলকে এনে দেন ১৯০ রানের পুঁজি। তার ব্যাটে ভর করেই সেদিন জিতেছিল আফগানরা। আজও ৭ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৯৫ রান করে আফগানদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।

এর আগে শনিবার দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে হারানোর কৃতিত্ব দেখায় আফগানিস্তান। ২০২৩ সালে বাংলাদেশের মাটিতে এবং ২০২৪ ও ২০২৫ সালে আরব আমিরাতে টানা দুটি সিরিজে বাংলাদেশকে হারায় তারা। দুই দলের পাঁচটি ওয়ানডে সিরিজে ৩-২-এ এগিয়ে আফগানরা।

দুই দলের আগের চারটি ওয়ানডে সিরিজে কেউ কাউকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারেনি। এবার আফগানিস্তানের সুযোগ এসেছে। এখন দেখার বিষয়, লজ্জা এড়াতে পারে কিনা মিরাজ ও তার সহযোদ্ধারা। এই সফরেই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে ৩-০তে হারিয়েছে জাকের আলীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।