অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন দিল্লি হাইকোর্টে একটি আবেদন দায়ের করেছেন। তিনি তার প্রচার ও ব্যক্তিত্বগত অধিকারের সুরক্ষা চেয়েছেন। তার নাম, ছবি ও পরিচিতির অবৈধ ব্যবহার নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। এ আবেদনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপব্যবহার, প্রতারণামূলক উপস্থাপনা এবং অনলাইনে অশ্লীল, পরিবর্তিত ছবি ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
বিচারপতি তেজস কারিয়া মামলাটি শুনে অভিযোগগুলোর গুরুত্ব স্বীকার করেন এবং এ ধরনের অপব্যবহার বন্ধে আদেশ জারির ইচ্ছা প্রকাশ করেন। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬-এ নির্ধারিত হয়েছে।
ঐশ্বরিয়ার পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট সন্দীপ শেঠি আদালতকে জানান, তার মক্কেলের পরিচিতি (ছবি, খণ্ডিত বক্তব্য, ভিডিও ক্লিপ) ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিক লাভ ও প্রতারণামূলক প্রচারের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি কিছু ওয়েবসাইটের কথা উল্লেখ করেন, যারা নিজেদের ‘অফিশিয়াল’ বলে দাবি করছে এবং মগ, টি-শার্ট ও পানীয়র পাত্রের মতো পণ্যে তার নাম ও ছবি অবৈধভাবে ব্যবহার করছে।
তিনি ‘ঐশ্বরিয়া নেশন ওয়েলথ’ নামের একটি কোম্পানির কথা উল্লেখ করেন। প্রতিষ্ঠানটি ঐশ্বরিয়াকে তাদের চেয়ারপারসন হিসেবে পরিচয় দিয়েছে, যা অসত্য। সন্দীপ শেঠি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ঐশ্বরিয়ার এ সংস্থার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এবং কাজটি প্রতারণামূলক ও বেআইনি।’
তিনি আরো জানান, অনলাইনে অভিনেত্রীর বিকৃত, অশ্লীল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি ছবি ছড়িয়ে পড়ছে, যা তার মর্যাদা ও অধিকারের চরম লঙ্ঘন। তার চেহারা যৌন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।
গুগলের পক্ষে অ্যাডভোকেট মমতা রানী আদালতকে জানান, নির্দিষ্ট কনটেন্ট মুছে ফেলার জন্য নির্দিষ্ট ইউআরএল জমা দিতে হয়। বিচারপতি কারিয়া বলেন, ‘যদিও একটি সম্মিলিত আদেশ ভালো হতো, তবে আবেদনের পরিধি এত বিস্তৃত যে আলাদা আলাদা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পৃথক আদেশ দিতে হতে পারে। বাদী চাইলে নির্দিষ্ট ইউআরএল দিতে পারেন বা ব্লকিং অ্যান্ড স্ক্রিনিং ইনস্ট্রাকশনস অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে পারেন।’
সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা










