গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি প্রাঙ্গণে শুরু হয় ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব ১৪৩১’। মহান ভাষা শহীদদের স্মরণ ও বাংলা চলচ্চিত্রের বিকাশের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে এ উৎসবের আয়োজন করে আসছে। পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবে প্রদর্শন হয় সমসাময়িক ও ধ্রুপদী ১৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
প্রথম দিনে সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের মাধ্যমে উৎসবের ২৩তম আসরের পর্দা ওঠে। এছাড়া প্রদর্শন হয় ‘ভাত দে’, ‘লাইভ ফ্রম ঢাকা’, ‘পেয়ারার সুবাস’। প্রদর্শন হয়েছে মারমা ভাষায় নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘খিয়াং’, ‘তুফান’, ‘রিকশা গার্ল’, ‘কাজলরেখা’, ‘নকশী কাঁথার জমিন’, ‘ফাতিমা’, ‘দেয়ালের দেশ’।
গতকাল উৎসবের শেষ দিনে সকাল ১০টায় প্রদর্শন হয় দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’, বেলা ১টায় কাজী হায়াত পরিচালিত ‘আম্মাজান’, বেলা সাড়ে ৩টায় ইকবাল হোসেন চৌধুরী পরিচালিত ‘বলী’ এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শঙ্খ দাসগুপ্ত পরিচালিত ‘প্রিয় মালতী’ প্রদর্শনের মাধ্যমে পর্দা নামে আমার ভাষার চলচ্চিত্র ১৪৩১-এর ২৩তম আসরের।
গতকাল বিকাল ৫টায় উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ বছরের সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার ‘হীরালাল সেন পদক’ প্রদানের মাধ্যমে পর্দা ওঠে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের। উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের মডারেটর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবা রহমান এবং চলচ্চিত্র গবেষক ও আলোকচিত্রী মীর শামছুল আলম বাবু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হীরালাল সেন পদকের জন্য মনোনীত সব চলচ্চিত্রের পরিচালক ও কলাকুশলীরা। এ বছর হীরালাল সেন পদকে মনোনীত হয়েছে শঙ্খ দাসগুপ্ত পরিচালিত প্রিয় মালতী, গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত কাজলরেখা, আকরাম খান পরিচালিত নকশী কাঁথার জমিন ও নূরুল আলম আতিক পরিচালিত পেয়ারার সুবাস। এ আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার ছিল বণিক বার্তা।










