তার অভিনয় আর সৌন্দর্য দিয়ে তিনি বছরের পর বছর দর্শক মাতিয়ে রেখেছেন। তবে একসময়ের অত্যন্ত ব্যস্ত এ নায়িকা বর্তমানে নিয়মিত অভিনয় থেকে বেশ দূরেই রয়েছেন। মাঝে বিরতি ভেঙে তিনটি সিনেমায় কাজ করলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও সেগুলো এখনো মুক্তি পায়নি। শুধু বড় পর্দা নয়, ছোট পর্দার নাটকেও তাকে এখন আর আগের মতো দেখা যায় না। ভক্তরা যখন তাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায়, ঠিক তখনই হুট করে সম্প্রতি তিনি একটি সচেতনতামূলক প্রামাণ্যচিত্রে অংশ নিয়ে চমকে দিয়েছেন।
১৯৭০ সালে ভোলা জেলায় ঘটে যাওয়া সেই প্রলয়ঙ্করী প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভয়াবহ বন্যার কাহিনী নিয়ে প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন ‘প্রেমের তাজমহল’ খ্যাত জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক গাজী মাহবুব। বিএফডিসিতে বিশেষ সেট তৈরি করে এরই মধ্যে শুটিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। জানা গেছে, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মানবসুর উন্নয়ন সংস্থার (মাউস) জন্য প্রামাণ্যচিত্রটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব লাভুর গ্রন্থনা ও পরিকল্পনায় প্রামাণ্যচিত্রটির নাম রাখা হয়েছে ‘অস্তিত্বের লড়াই’।
দীর্ঘদিন পর এমন একটি কাজে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে পূর্ণিমা জানান, এ প্রামাণ্যচিত্রের মূল ভাবনাটি তার খুব ভালো লেগেছে। মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্য নিয়ে একজন শিল্পী হিসেবে নিজের সামাজিক দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই তিনি কাজটি করেছেন। তিনি সবসময় এমন ভালো ও গঠনমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান।
পরিচালক গাজী মাহবুব জানান, এ গল্পে ১৯৭০ সালের ভোলা জেলার সেই মর্মান্তিক বন্যার স্মৃতি যেমন উঠে আসবে, তেমনি বর্তমান বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো ঘটছে, সেখানে আমাদের আসলে কী করা উচিত, তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মাউসের আয়োজনে ‘জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’র অনুষ্ঠানে এটি প্রথম দেখানো হবে। এরপর সাধারণ মানুষের সচেতনতার জন্য এটি ইন্টারনেটে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হবে।
প্রামাণ্যচিত্রটিতে পূর্ণিমা ছাড়াও আরো একঝাঁক পরিচিত মুখ অভিনয় করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রখ্যাত নির্মাতা ও অভিনেতা কাজী হায়াৎ, শিবা শানু, তানহা তাসনিয়া, শিরিন শিলা, মৌ খান ও জয় চৌধুরী।










