অন্য কোনো সিনেমা না থাকায় এটিই ব্যবসা করছে বক্স অফিসে। ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলার পরিচালিত সিনেমাটি গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে চার হাজার প্রেক্ষাগৃহ থেকে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয় করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সপ্তাহ শেষে সিনেমাটি ৬ কোটি ডলারেরও বেশি আয় করবে। আর সাত কোটি ডলারের বেশি আয় করলে সিনেমাটি অ্যামাজন এমজিএমের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমায় পরিণত হবে। সিনেমাটি রটেন টমেটোজে ৯৫ শতাংশ ইতিবাচক রেটিং পেয়েছে।

অ্যান্ডি উয়েরের ২০২১ সালের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন রায়ান গসলিং। মেধাবী স্কুলশিক্ষক রাইল্যান্ড গ্রেস চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। তিনি এক মহাকাশযানে পৃথিবী থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরে জেগে ওঠেন, কিন্তু কীভাবে সেখানে এলেন তা মনে থাকে না। ধীরে ধীরে তার স্মৃতি ফিরে আসার সঙ্গে জানা যায়, তিনি সূর্যকে অন্ধকার করে দিতে পারে এমন এক রহস্যময় পদার্থ ঠেকানোর মিশনের অংশ। ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন স্যান্ড্রা হুলার, জেমস ওর্টিজ, লিওনেল বয়স, লিজ কিংসম্যান প্রমুখ।

হলিউডের বক্স অফিসে এ মুহূর্তে তেমন কোনো সিনেমা নেই। ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি ও পিক্সারের হপার্স চলছে। সিনেমাটি শুক্রবার ৫৪ লাখ ডলার আয় করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় মাত্র ২৬ শতাংশ কমে গেলেও সিনেমাটির পারফরম্যান্স ইতিবাচক। উত্তর আমেরিকায় এর মোট আয় প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ধারাবাহিক কয়েকটি ব্যর্থতার পর হপার্সের বাণিজ্যিক সাফল্যে অবশেষে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছে পিক্সার।

সূত্র: ভ্যারাইটি