সাতজন শিল্পীর শিল্পকর্ম নিয়ে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ আয়োজন করতে যাচ্ছে এটি। কুন্তল বাড়ৈর কিউরেশনে অনুষ্ঠিতব্য এ প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন বনানী সিমলাই, দীপ্র বণিক, খাইদেম সিথি সিনহা, লুৎফা মাহমুদা, মো. ফয়জুল ইসলাম, মো. হাশেম ও রূপশ্রী হাজং। আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায় আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে প্রদর্শনীর উদ্বোধন হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন প্রখ্যাত বাংলাদেশী স্থপতি শামসুল ওয়ারেস ও বিশিষ্ট শিল্পী মঈনুদ্দীন খালেদ। প্রদর্শনীটি আগামীকাল শুরু হয়ে ২৮ জুলাই অবধি চলবে।

এ প্রদর্শনী সাত শিল্পীর শিল্পভাবনা স্মৃতি, ভূদৃশ্য, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং পরিবেশের জটিল আন্তঃসম্পর্ককে নতুনভাবে অন্বেষণ করে। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিল্পী নিজস্ব শিল্পভাষায় পরিবেশ, স্মৃতি ও পরিচয়ের ভিন্ন ভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। বনানী সিমলাই খাদ্য, মাটি ও মানব অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ককে কেন্দ্র করে মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সহাবস্থানের কথা বলেন। শিল্পায়ন ও দূষণের ফলে সৃষ্ট অ্যাসিড বৃষ্টি পরিবেশ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর কী ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে তা তুলে ধরেছেন মো. ফয়জুল ইসলাম।

লুৎফা মাহমুদা অভিবাসন, পরিচয় এবং ‘বাড়ি’ ধারণার মানসিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য অনুসন্ধান করেছেন। খাইদেম সিথি সিনহা মণিপুরি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রশিল্প এবং প্রকৃতিনির্ভর নকশার মধ্য দিয়ে সংস্কৃতি ও প্রকৃতির গভীর বন্ধনকে উদযাপন করেছেন। মো. হাশেম পাহাড় ও উর্বর মাটির ক্ষয়কে স্মৃতি, প্রতিরোধ এবং টিকে থাকার প্রতীকে রূপ দিয়েছেন। রূপশ্রী হাজং হাজং জনগোষ্ঠীর লোকজ আচার, বিশ্বাস ও প্রকৃতির সঙ্গে তাদের আধ্যাত্মিক সম্পর্ককে সূচ-সুতার ইনস্টলেশনের মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। অন্যদিকে দীপ্র বণিক তার শিল্পচর্চায় ভূদৃশ্য, পরিবেশ ও মানুষের হস্তক্ষেপের পরিবর্তনশীল সম্পর্ককে অনুসন্ধান করেছেন।