আগামী ১২ জুন সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মূল মিলনায়তনে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেয়া হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দ্বিতীয়বারের মতো কোনো গুণী শিল্পীকে নিয়ে এ ধরনের জমকালো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে নিয়ে এ উৎসবের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে ধারাবাহিকতায় এবার সৈয়দ আব্দুল হাদীকে নিয়ে এ বিশেষ আয়োজন হতে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় এ সম্মাননা প্রাপ্তির বিষয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে সৈয়দ আব্দুল হাদী বলেন, “‘‌দীর্ঘ সংগীত জীবনে সত্যিকার অর্থে এত এত শ্রোতা, ভক্ত ও দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছি এবং সম্মানিত হয়েছি যে জীবনের এ পর্যায়ে এসে আর কোনো প্রাপ্তি বা সম্মাননা বিশেষভাবে আনন্দিত করে না। তার পরও রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাকে নিয়ে এ ধরনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এটা একজন শিল্পী হিসেবে অবশ্যই অনেক বড় ভালো লাগার। আমাকে ঘিরে এমন আয়োজন আশা করছি সুন্দর হবে এবং সবার কাছে উপভোগ্য হবে। যারা এ আয়োজনে আমার গানগুলো পরিবেশন করবে, তাদের সবার জন্য আমার পক্ষ থেকে অগ্রিম শুভকামনা রইল। একই সঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও শিল্পকলা একাডেমির প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

সৈয়দ আব্দুল হাদী জানান, এ সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি নিজে সরাসরি মঞ্চে সংগীত পরিবেশন না করলেও তার কণ্ঠের কালজয়ী গানগুলো আমন্ত্রিত শ্রোতা-দর্শককে গেয়ে শোনাবেন এ প্রজন্মের একঝাঁক শিল্পী। তাদের মধ্যে রয়েছেন কোনাল, রাশেদ, আতিক, অপু আমান, অনন্যা, সুস্মিতাসহ আরো বেশ কয়েকজন কণ্ঠশিল্পী।

তার দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ‘আছেন আমার মুক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘আমি তোমারি প্রেমও ভিখারি’, ‘চোক্ষের নজর এমনি কইরা’, ‘যেওনা সাথী’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি’, ‘কে জানে কতদূরে সুখের ঠিকানা’ ও ‘তেল গেলে ফুরাইয়া’ ইত্যাদি।