নব্বইয়ের দশকের শেষে এসেছিল দ্য মমি। অভিনয় করেন ব্রেন্ডন ফ্রেজার ও র‍্যাচেল ওয়েইজ। এরপর আরো দুটি সিনেমা নির্মিত হয়। তবে নতুন সময়ে এ ধারার চাহিদা কিছুটা কম ছিল। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ সিনেমায় একসঙ্গে ফিরছেন ফ্রেজার ও র‍্যাচেল। নির্মাতা ম্যাট বেটিনেলি-অলপিন ও টাইলার গিলেট নির্মাণ করবেন সিনেমাটি। এ নির্মাতারা ‘রেডিও সাইলেন্স’, ‘রেডি অর নট’ ও ‘স্ক্রিম’ সিনেমার জন্য পরিচিত। তবে এই সিনেমাগুলোর বিষয়ে ইউনিভার্সাল স্টুডিও কোনো মন্তব্য করেনি।

১৯৯৯ সালে সিনেমাটি বক্স অফিসে বড় সাফল্য অর্জন করে। এটির গল্প এক গুপ্তধন সন্ধানীকে নিয়ে। তার খোঁজ ও কর্মকাণ্ড এক মিসরীয় পুরনো আত্মাকে জাগিয়ে তোলে। সিনেমাটি ফ্রেজারকে রাতারাতি তারকায় পরিণত করে। তিনি পরবর্তী সময়ে দ্য মমি রিটার্নস (২০০১) ও দ্য মমি: টুম্ব অব দ্য ড্রাগন এম্পেরর (২০০৮) শিরোনামের দুই সিকুয়ালেও অভিনয় করেন।

ইউনিভার্সাল ২০১৭ সালে টম ক্রুজকে নিয়ে দ্য মমি পুনরায় শুরু করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে ফ্লপ হয় এবং স্টুডিওর তথাকথিত ডার্ক ইউনিভার্স তৈরির পরিকল্পনাও ভেস্তে যায়।

এদিকে ব্যক্তিগত সমস্যা, শারীরিক অসুস্থতা ও নানা কারণে দীর্ঘ বিরতিতে ছিলেন ফ্রেজার; অনেকটা নির্বাসনের মতো। তবে ২০২২ সালের ‘দ্য হোয়েল’ দিয়ে ফেরেন তিনি। কেবল ফেরেননি, জিতেছেন অস্কারে সেরা অভিনেতার পুরস্কার।

‘দ্য হোয়েল’-এর প্রচারণার সময় ফ্রেজার ভ্যারাইটিকে বলেছিলেন যে তিনি তার সবচেয়ে জনপ্রিয় রিক ও’কনেল চরিত্রে আবারো ফিরে যেতে আগ্রহী।

তিনি বলেছিলেন, ‘আমি জানি না কীভাবে এটা সম্ভব হবে, কিন্তু কেউ যদি সঠিক আইডিয়া নিয়ে আসে, আমি রাজি।’

ফ্রেজার আরো বলেছিলেন, এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন সিনেমায় কী কী করা যাবে না। টম ক্রুজ অভিনীত সিনেমা ব্যর্থ হওয়ার কারণও নির্দেশ করেছিলেন তিনি।

ফ্রেজার বলেন, ‘ওই ধরনের সিনেমা বানানো কঠিন। আমাদের ‘‘দ্য মমি”-এর সবচেয়ে বড় উপাদান ছিল ‘‘মজা’’, যা নতুন সংস্করণে ছিল না। ওটা ছিল একেবারে সোজাসাপ্টা হরর মুভি। “‍দ্য মমি” হওয়া উচিত এক ‘‘থ্রিল রাইড’’, কিন্তু তা যেন আতঙ্কজনক ও ভীতিকর না হয়।’

আশা করা যাচ্ছে, ফ্রেজার এবার এসব শর্ত পূরণ করেই সিনেমাটি সাজাবেন।

সূত্র: ভ্যারাইটি