জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও প্রযুক্তি প্রদানের মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। তিনি জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের সুরক্ষার জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানান। 

গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল অ্যাডাপ্টেশন প্ল্যান এক্সপো ২০২৪’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

পরিবেশ সচিব তৃণমূল পর্যায়ে, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় (এলডিসি) বাস্তব সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যেখানে ন্যাপ বাস্তবায়নের জন্য অর্থের অ্যাকসেস এখনো চ্যালেঞ্জিং। ন্যাপ এক্সপোতে ন্যাপের অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং এগিয়ে যাওয়ার কৌশল নির্ধারণের জন্য একটি প্লাটফর্ম। তিনি ন্যাপ এক্সপোর ফলাফলকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে কপ২৯-এ একটি ইভেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব করেন।

জলবায়ু পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক অর্থ সহায়তা অপরিহার্য মন্তব্য করে পরিবেশ সচিব বলেন, ‘বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য দায়ী গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যে আপডেট হওয়া এনডিসির লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউজ গ্যাস (জিএইচজি) নির্গমন ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এমনকি আন্তর্জাতিক সহায়তায় ২০৩০ সালের মধ্যে এ হ্রাসের পরিমাণ আরো ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ কমতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রায় কাজ করছে সরকার।’