নির্বাচনের প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে পোশাক শিল্প মালিক সংগঠন বিজিএমইএ। তালিকা অনুযায়ী ২০২১ থেকে ২০২৩ মেয়াদের আসন্ন নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৩১৩। ২০১৯ সালে ভোটারের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯৫৬ জন। এ হিসেবে মোট ৩৫৭ জন নতুন ভোটার প্রাথমিক তালিকায় যুক্ত হয়েছে।
বিজিএমইএর সক্রিয় কারখানার সংখ্যা বর্তমানে ১ হাজার ৯৮০। এদিকে কভিড-১৯ মহামারীকালে মোট ৪৫০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। আবার ২০১৯ সাল থেকে মাত্র ৪৫ সদস্য নতুন নিবন্ধন নিয়েছে বিজিএমইএতে। এ বাস্তবতার পরও ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বণিক বার্তাকে বলেন, সর্বশেষ নির্বাচনে ভোটার ছিল ১ হাজার ৯৫৬ জন। বর্তমান পর্ষদের মেয়াদে গত দুই বছরে নতুন কারখানা নিবন্ধন নিয়েছে ৪৫টি। প্রাথমিক তালিকায় ভোটার সংখ্যার বিষয়গুলো দেখার যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশন ও আপিল বিভাগ।
বিজিএমইএ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ এপ্রিল। সম্মিলিত পরিষদ, স্বাধীনতা পরিষদ ও ফোরাম—এ তিন প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন যথাক্রমে জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসান, জাহাঙ্গীর আলম ও এবিএম শামসুদ্দিন।
জানতে চাইলে ফারুক হাসান বলেন, আমাদের গঠনতন্ত্র অনুসারে, সদস্যপদ নবায়ন করা থাকলে, ট্রেড লাইসেন্স ঠিক থাকলে এবং আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া থাকলে ভোটার হতে পারবে। বেশকিছু কারখানা বন্ধ হয়েছে এটা ঠিক, কিন্তু তারা এ তিন শর্ত পূরণ করলে ভোটার হতে পারবে। ভোটার মানে তো হচ্ছে একটি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান। এক্ষেত্রে সেই প্রতিষ্ঠান থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবে, সেজন্য নমিনেশন দিতে হয় এবং এজন্য অনেক ধরনের কাগজপত্র জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গতবার যে ৬০০ জন সাবস্ক্রিপশন করলেও ভোটার হয়নি, এবার এ সংখ্যা ২০০-তে নেমে এসেছে। আর কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে ভোটার হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এসব কারণেই এবার ভোটার সংখ্যা বেড়ে গেছে।











