বঙ্গোপসাগরের আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপকূলে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে লবণবাহী অন্তত ২০টি ট্রলার ডুবে গেছে। এ সময় বিভিন্ন ট্রলারে থাকা ৩৪ জন মাঝিমাল্লা ও চারটি ট্রলার উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কক্সবাজার, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও বাঁশখালী এলাকা থেকে লবণ নিয়ে চট্টগ্রাম নগরে আসার পথে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারগুলো। এ ঘটনায় প্রায় আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির নেতারা।

নৌপুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে ট্রলারগুলো ডুবে যায়। স্থানীয় লোকজন, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা ৩৪ জনকে উদ্ধার করেছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারের সংখ্যা অন্তত ২০টি হবে। প্রতিটি ট্রলারে পাঁচ-সাতজন মাঝিমাল্লা ছিলেন। অনেকে সাঁতার কেটে অন্য ট্রলারে বা কূলে উঠে আসেন। যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারের কাজ চলছে। নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।’

বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল কবির বলেন, ‘শুধু চট্টগ্রাম ঊপকূলে নয় কক্সবাজার উপকূলে ৪০টির বেশি লবণবাহী ট্রলার ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া এসব ট্রলারে প্রায় তিন হাজার টন লবণ ছিল। ছোট-বড় এসব ট্রলারে ৫-৭ লাখ টাকার লবণ থাকে। সব মিলিয়ে আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমার নিজেরও তিনটি ট্রলার ডুবে গেছে।’