নৌপরিবহন খাতে রাজস্ব বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নদীবন্দর ও নৌপথ ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর ও জনবান্ধব করতে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া।
গত রোববার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা দেয়া হয়। সভায় বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম কর্তৃপক্ষের রাজস্ব বৃদ্ধি ও সেবার মানোন্নয়ন-সংক্রান্ত উপস্থাপনা তুলে ধরেন।
সভায় দেয়া নির্দেশনাগুলো হলো,
১. কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংরক্ষণ ড্রেজিংকে ব্যয় সাশ্রয়ী পূর্বক অধিকতর প্রয়োজনীয় স্থানে খননের ব্যবস্থা করা।
২. নৌসওপ বিভাগের কঞ্জারভেন্সি ও পাইলটেজ খাতে রাজস্ব আয়ে অধিকতর দৃষ্টিপাত।
৩. নৌনিট্রার বিভিন্ন নৌপথে সময়সূচী প্রদানে অধিকতর শর্ত আরোপ হ্রাস করে খাত ভিত্তিক রাজস্ব আদায়ে মনোনিবেশ।
৪. বন্দর বিভাগের আয় বৃদ্ধিতে বিশেষত ফোরশোর ও তীরভূমি ব্যবহার ফি যুগোপযোগী করা এবং ঘাট/পয়েন্টসংক্রান্ত দেওয়ানি মোকদ্দমাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা।
৫. নদীবন্দর এলাকায় মালামাল ওঠানামার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা।
৬. ঢাকার বৃত্তাকার নৌপথে চলাচলে বিভিন্ন ঘাট পয়েন্টের সংস্পর্শে নৌযান চলাচলে সহায়ক ভূমিকা পালন করা।
৭. কর্তৃপক্ষের নিজস্ব আর্থিক ব্যবস্থাপনায় যে কোন একটি ঘাট/পয়েন্টকে আধুনিকায়ন করা।
৮. অননুমোদিত ডক ইয়ার্ডকে লাইসেন্সের আওতায় আনা।
৯. সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী কর্তৃক কর্তৃপক্ষের লিজ/লাইসেন্স প্রদানকৃত জায়গায় কর্তৃপক্ষের পক্ষে দৃশ্যমান স্থানে প্লট নম্বর, মৌজা ও অবস্থান ভিত্তিক সাইনবোর্ড স্থাপন করা।
১০. দেশের বিভিন্ন নৌপথে অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু দ্রুতগামী নৌযান চলাচলের ব্যবস্থা করা।
১১. দ্রুত নদীর বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য আধুনিক বর্জ্য পরিস্কার করার মেশিন সংগ্রহ করা।
সভায় বিআইডব্লিউটিএর সদস্য (অর্থ) ক্যাপ্টেন (অব) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) ও যুগ্ম সচিব মো. সাজেদুর রহমান, সদস্য (প্রকৌশল) রকিবুল ইসলাম তালুকদারসহ বিভাগীয় প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










