মোংলা বন্দরে চলমান ইনারবার (বন্দর জেটি-হারবারিয়া) ড্রেজিং প্রকল্প বন্ধ করার পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। ৭৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি বন্ধে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে, এমনকি তারা সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করছে বলে জানান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। ওই মহলকে চিহ্নিত করে এরই মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল সকালে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
এ সময় তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের হারবারিয়া থেকে বন্দর জেটি (ইনারবার) পর্যন্ত নাব্যতা বাড়াতে ড্রেজিং প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এটি করা হলে মোংলা বন্দরের জেটিতে স্বাভাবিক জোয়ারে ৯ দশমিক ৫০ থেকে ১০ মিটার গভীরতার জাহাজ ভিড়তে পারবে, কিন্তু ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ ড্রেজিং প্রকল্প বন্ধ করতে একটি মহল নানা রকম অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলেন, ইনারবারে ড্রেজিং করা বালি বা মাটি ফেলতে পশুর নদীর তীরবর্তী বানীশান্তা এলাকার ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৫ একর দোফসলি ও ১১৫ একর একফসলি জমি রয়েছে। সেখানে তিনফসলি কোনো জমি নেই। অধিগ্রহণ করা জমির মালিকদের বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণও দেয়া হয়েছে, কিন্তু একটি মহল ওইসব জমির মালিকদের ভুল বুঝিয়ে ওটিকে ‘তিনফসলি জমি’
হিসেবে উল্লেখ করে ড্রেজিং করার বালি বা মাটি ফেলতে বাধা দিচ্ছেন।
ষড়যন্ত্রকারীদের এসব অপতত্পরতা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের উন্নয়নের অংশ মোংলা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।
গতকালের জরুরি এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার, প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল ও হাইড্রলিক) শেখ শওকত আলী, বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগের সচিব কালাচাঁদ সিংহসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।










