আগামী নির্বাচন অবশ্যই অন্যরকম হবে বলে আশাব্যক্ত করেছেন নৌ-পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ‘গণতন্ত্রের পথে চলি একসঙ্গে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) ‘ভোটার সচেতনতা ও নাগরিক সক্রিয়তা’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ নাগরিক উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন তখনই গ্রহনযোগ্য হয় যখন নির্বাচন অংশগ্রহনমূলক হয়। ভোটাররা ভোট দিতে পারেন।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ভোট দেয়া যায়নি। আমি যত বার রাস্তায় বেরিয়েছি মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে ভোট কি দিতে পারব? এখানে অনেক তরুণ আছে যারা ভোট দেয়নি। আমি আশা করি আগামীতে যে নির্বাচন হবে- সেটাতে যারা অংশগ্রহণ করবে, তারা অতীতের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। না হলে সেটি ক্ষতির কারণ হবে।

নৌ-পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা বলেন, দেশের মধ্যে কিছু কিছু সেক্টরে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আরএমজি সেক্টরে বেশি হচ্ছে। এ অস্থিরতা শ্রমিকরা নিজেরা করছে না। পতিত সরকার ও তাদের বন্ধু রাষ্ট্র সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।

সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার প্রয়োজন। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ভোটারদেরও সোচ্চার থাকতে হবে। যাতে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। আমাদের গণতান্ত্রিক যাত্রা যাতে সুসংগঠিত হয় সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। প্রতিবাদী হতে হবে যদি কেউ ঠিকমতো কাজ না করে। আমরা আশাবাদী হতে চাই, কিন্তু পাহারাদারদের ভূমিকায় কাজ করতে হবে।

এছাড়া নির্বাচন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে নাগরিক উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।