২০২৪ সালে হজ ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এজেন্সির মালিকরা। সময়মতো মুনাজ্জিম ভিসা না পাওয়া ও মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনের ব্যর্থতার জন্য এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।

গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ২০২৪ সালের হজ ব্যবস্থাপনার সব প্রতিবন্ধকতা দ্রুত নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘অপারেটিং হজ এজেন্সির মালিকরা’ এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

লিখিত বক্তব্যে আল কুতুব হজ ট্রাভেলসের মালিক হাবিবুল্লাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন বলেন, ‘‌প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ সাধনার ফসল সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনায় এবার অভাবনীয় কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মক্কা হজ মিশনের কিছু কর্মকর্তার অবহেলা বা দায়িত্বহীনতার ফলে এসব জটিলতা তীব্র আকার ধারণ করছে। এগুলোর দ্রুত সমাধান না হলে এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়, যার জন্য বাধ্য হয়ে আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা হতে সৌদি সরকারের একটি চিঠির বরাতে জানানো হয়, ২৯ এপ্রিল হজযাত্রীদের ভিসা ইস্যু বন্ধ হয়ে যাবে। ২৯ এপ্রিলের মধ্যে হজযাত্রীদের ভিসা করতে হবে। এজেন্সির অবহেলার কারণে হজযাত্রীদের গমন অনিশ্চিত হলে সেই এজেন্সির বিরুদ্ধে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাই উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সব চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। বাস্তবে অধিকাংশ এজেন্সি এখন পর্যন্ত হজের আনুষঙ্গিক কাজকর্ম সম্পাদন করতে পারেনি। এ কারণে হজ ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া ভিসা জটিলতার কারণে এজেন্সি মালিকরা সৌদি যেতে পারেননি। এখনো সৌদি অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করা হয়নি। সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করা হয়নি। ২০ এপ্রিলের মধ্যে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে টিকা দেয়ার নোটিস দেয়া হয়েছিল। সেই টিকা এখনো কোনো হাসপাতালে পৌঁছায়নি।