বাংলাদেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা (ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি) হালনাগাদ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বাংলাদেশের ভ্রমণ সতর্কতার মাত্রা লেভেল-৩ (ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা করুন) থেকে কমিয়ে লেভেল-২ (বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন) করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভ্রমণ সতর্কতার এ পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক উন্নয়ন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি প্রতিফলিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গরের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এ অগ্রগতি এসেছে। বৈঠক শেষে সার্জিও গর টেক্সট বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভ্রমণ সতর্কতার উন্নয়ন বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিবেশ ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন। গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের ইতিবাচক ধারাকেও তুলে ধরছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ভ্রমণ সতর্কতার এ উন্নয়ন আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের জন্য নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি।
এর আগে ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর। বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেলে দেয়া এক পোস্টে সার্জিও গর বলেন, বাংলাদেশে তার প্রথম সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করতে পেরে তিনি আনন্দিত। দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।










