মানবাধিকারের পক্ষে তরুণদের সাহসের সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১০ ডিসেম্বর জাতিসঙ্ঘ ঘোষিত মানবাধিকার উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মানুষের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতাসহ গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। জাতিসঙ্ঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবসে এই হোক আমাদের দৃঢ় সংকল্প।'

তারেক রহমান বলেন, 'জাতিসঙ্ঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবসে আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মৌলিক মানবিক অধিকারহারা নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা। আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করাসহ সীমাহীন রক্তপাত ও বেপরোয়া নিপীড়ন নির্যাতনের মধ্য দিয়ে জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার মানবাধিকারের পরিপূরক।'

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, 'আওয়ামী লীগের শাসনামলে শুধুমাত্র বিরোধীদলের নেতাকর্মীরাই নয়, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ কারোই কোনো নিরাপত্তা ছিল না। এদের বেশিরভাগই গুম, গুপ্ত হত্যা এবং বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে গত ১৬-১৭ বছরে চরম কর্তৃত্ববাদী দুঃশাসন কায়েম করেছিল। গণতন্ত্রের জন্য যিনি বার বার আপসহীন লড়াই চালিয়ে গেছেন, সেই আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সব মানবাধিকার কেড়ে নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সাজা দিয়ে তাকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া এখন মুক্ত।'