শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দীন আহম্মদ বলেছেন, কমিশন সম্মিলিত এবং পরিকল্পিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে, সকলের প্রত্যাশা এবং বাস্তবতা মাথায় রেখে সুপারিশ প্রণয়ন করবে। শ্রমিকদের প্রতি সকলের নৈতিক দায়বদ্ধতা আছে, আমরা সবাই এমন পরিবেশ চাই যেখানে শ্রমিকের বেতন বকেয়া থাকার জন্য রাস্তায় নামতে হয় না, শ্রমিকরা জীবনের ঝুকি নিয়ে কোনো কাজ করবে না। কমিশন সুপারিশ প্রণয়ন করলেও আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে শ্রম মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) শ্রম সংস্কার কমিশনের একটি মতবিনিময় সভা শ্রম ভবনে আয়োজিত হয়। সভায় শ্রম মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের (কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, শ্রীমঙ্গল প্রভৃতি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদসহ সভায় উপস্থিত ছিলেন ড. মাহফুজুল হক, কামরান টি রহমান, শাকিল আখতার চৌধুরী, তাসলিমা আখতার, অ্যাডভোকেট এ কে এম নাসিম এবং চৌধুরী আশিকুল আলম।

সভায় দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে আগত শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন আইনের কিছু পরিবর্তন আনলেই সহজতর হবে কার্যপ্রক্রিয়া। এছাড়া তারা দাবি করেন, শুধুমাত্র আইনের পরিবর্তনই না, মন্ত্রণালয়ে কিছু অবকাঠামোগত পরিবর্তনও প্রয়োজন। সভায় কর্মকর্তারা শ্রম অধিদপ্তর আরো গতিশীল করার মাধ্যমে শিল্পবিরোধ নিষ্পত্তিতে ভুমিকা রাখা, শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলা, শ্রমিকের অসন্তোষ, শ্রমিক কল্যাণ কেন্দ্রের আধুনিকায়নসহ শ্রমিকের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষায় বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করেন।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শ্রম সংস্কার কমিশনের অন্যান্য সদস্য এবং বিভিন্ন বিভাগীয় ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের (কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, শ্রীমঙ্গল প্রভৃতি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।