রাজধানীতে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এটিএম বুথে ডাকাতি চেষ্টা করে ব্যর্থ হন মো. আরিফুল ইসলাম। তাকে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশীদ। গতকাল মিন্টো রোডে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
হারুন অর রশীদ বলেন, ‘রোববার কালাচাঁদপুর থেকে আরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে ডিবি গুলশান বিভাগ। এ সময় তার হেফাজত থেকে ডাকাতি চেষ্টায় ব্যবহৃত চাপাতি, শাবল ও হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়। তিনি মূলত ইট, বালি, পাথরের ব্যবসা করতে গিয়ে ১৪-১৫ লাখ টাকা লোকসান করেন। পরে কিডনি বিক্রি করে সেই টাকা পরিশোধের চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হয়ে ইউটিউবে ব্যাংকের বুথে ডাকাতির একটি দৃশ্য দেখে তিনি এটিএম বুথে ডাকাতির পরিকল্পনা করেন।’
আরিফুলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ডিবি প্রধান বলেন, ‘ইউটিউব দেখে ব্যাংকের বুথে ডাকাতির পরিকল্পনা করেন আরিফুল। পরিকল্পনা অনুযায়ী মিরপুর এলাকার একটি বিপণিবিতান থেকে চাপাতি, শাবল, হাতুড়ি কিনে নেন। এরপর গুলশান এলাকায় নিরিবিলি ধরনের এটিএম বুথ খুঁজতে থাকেন। ১০ এপ্রিল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গুলশানের শাহজাদপুর এলাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকের বুথে ডাকাতির সিদ্ধান্ত নেন আরিফুল। নিরাপত্তাকর্মী হাসান মাহমুদকে কুপিয়ে হত্যা করে বুথ ভেঙে টাকা ডাকাতির চেষ্টা করেন তিনি।’
হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ঘটনার দিন জলপাই রঙের একটি টি-শার্ট পরে একটি ব্যাগে করে চাপাতি, শাবল নিয়ে প্রথমে বুথের নিরাপত্তারক্ষীকে কুপিয়ে হত্যা করেন আরিফুল। পরে ১০-১২ বার বুথ ভাঙার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এরপর পোশাক পরিবর্তন করে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।










