আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হবে না। মেয়র পদে বিজয়ী হতে পারেন জনপ্রিয় এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হবে। গতকাল নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছয় লেনবিশিষ্ট এক্সপ্রেসওয়ে সড়কের নির্মাণকাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে বিভিন্ন সংস্থা ও তার নিজস্ব টিম দিয়ে প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে জরিপ করেছেন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে করতে নির্বাচন কমিশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে। নির্বাচনে সরকার ও সরকারি দল কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) রূপগঞ্জের কাঞ্চন সেতুর পশ্চিম পাশের পূর্বাচল এলাকায় ভোগরা-জয়দেবপুর-মদনপুর (ঢাকা-বাইপাস) এক্সপ্রেসওয়ে সড়কটি নির্মাণ হচ্ছে।

প্রকল্পটি সম্পর্কে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, চীনের বেসরকারি কোম্পানি সিচুয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ গ্রুপ করপোরেশন লিমিটেড, শামীম এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেড ও ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড যৌথভাবে ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর সড়কটি নির্মাণে পিপিপি চুক্তি স্বাক্ষর করে। পিপিপির আওতায় ঢাকা-বাইপাস সড়কের নির্মাণকাজ তিন বছরের মধ্যে শেষ হবে।

তিনি জানান, এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ২২৩ কোটি টাকা অর্থ মন্ত্রণালয় অনুদান হিসেবে বরাদ্দ দেবে। জমি অধিগ্রহণ ও সার্ভিস চার্জ হিসেবে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করবে। বাকি ৩ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা পিপিপির আওতায় চুক্তিপত্রবদ্ধ বিদেশী দুটি কোম্পানি বিনিয়োগ করবে। ২০২২ সালের মধ্যে ঢাকা-বাইপাস সড়কের ছয় লেনবিশিষ্ট এক্সপ্রেস সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে। মাঝখানে প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে কিছু জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে এ প্রকল্প কিছুটা মন্থর গতিতে চলেছিল। অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি এরই মধ্যে সমাধান হয়েছে, যে কারণে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ