রফতানি উন্নয়ন তহবিল বা ইডিএফ থেকে ঋণ পেতে সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে রফতানিকারকরা খাত ভেদে ১০ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার পর্যন্ত ঋণ পাবেন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারি করা ইডিএফ-সংক্রান্ত সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যরা সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্যরা দেড় কোটি ডলার, বাংলাদেশ বাইসাইকেল অ্যান্ড পার্টস ম্যানুফ্যাকাচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ফার্নিচার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা ১ কোটি ডলার ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যা ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবে। এ তালিকার বাইরে অন্যান্য খাতের জন্য সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ডলার।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ইডিএফ থেকে ডলারে ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে ৬ মাসের সোফর হারের সঙ্গে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। রফতানিকারকদের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সুদের হার নির্ধারণ করবে ৬ মাসের সোফরের সঙ্গে দেড় শতাংশ। এ ঋণের মেয়াদ হবে ১৮০ দিন, তবে বিশেষ প্রয়োজনে আবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এ মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাড়াতে পারে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রচলিত সুদের হারের ওপর অতিরিক্ত ৪ শতাংশ হারে মাশুল সুদ দিতে হবে।

সরাসরি রফতানি বা রফতানির জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির বিপরীতে এ ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে যদি কোনো রফতানিকারক ১২০ দিনের মধ্যে রফতানি আয় দেশে আনতে ব্যর্থ হয় বা খেলাপি হন, তবে তিনি ইডিএফ সুবিধার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। এছাড়া কোনো ব্যাংক নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত পুনরায় এ সুবিধা পাবে না।