বজ্রপাতে পাঁচ জেলায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শরীয়তপুরে তিনজনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়া মাদারীপুরে দুজন, সিলেট, নেত্রকোনা ও ফরিদপুরে একজন করে মারা গেছেন। গতকাল দিনের বিভিন্ন সময় বজ্রপাতের এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকালে শরীয়তপুরের জাজিরায় বৃষ্টির মধ্যে মায়ের খোঁজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান আমেনা বেগম (২৬)। উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়ার আলতু মাঝির মেয়ে আমেনা বেগম।

অন্যদিকে ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখীপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়নের বেড়াচাক্কি গ্রামে সয়াবিন খেতে কাজ করছিলেন নেছার উদ্দিন মাঝি। দুপুরে তার স্ত্রী কুলসুম বেগম খাবার নিয়ে গিয়েছিলেন মাঠে। এ সময় বজ্রপাতে কুলসুম বেগম মারা যান। এছাড়া জাজিরা উপজেলার কুণ্ডেরচর ইউনিয়নের বাবুরচরের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে বজ্রপাতে আব্দুল হান্নান নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বিকালে উপজেলার কুণ্ডেরচর ইউনিয়নের বাবুরচরের সরল খার কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সিলেটের কানাইঘাটে মাঠে গরু চরাতে গিয়ে বজ্রপাতে মাহতাব উদ্দিন মাতাই (৪৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকালে উপজেলার দীঘিরপাড় পূর্ব ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। মাহতাব উদ্দিন মাতাই উপজেলার দর্পনগর পশ্চিম করচটি গ্রামের রফিকুল হকের ছেলে।

নেত্রকোনার আটপাড়ায় জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মো. দিলওয়ার মিয়া (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার স্বরমুশিয়া হাওরে এ ঘটনা ঘটে। দিলওয়ার মিয়া উপজেলার স্বরমুশিয়া গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে।

এছাড়া ফরিদপুরের মধুখালীতে বজ্রপাতে মুরাদ মল্লিক (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কামরুজ্জামান (৪৫) নামে আরেক কৃষক। গতকাল বেলা সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের মীরেপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদ মল্লিক কামালদিয়া ইউনিয়নের মীরেপাড়া গ্রামের লকাই মল্লিকের ছেলে।

অন্যদিকে মাদারীপুরে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বিকালে জেলা শহর ও কালকিনিতে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন মাদারীপুর শহরের আজমেরী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের কর্মচারী সঞ্জিব বল্লভ (৩৫) ও কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া ইউনিয়নের রামারপোল গ্রামের শ্রবণপ্রতিবন্ধী জসিম হোসেন (২০)।