এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট ৮২০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৬০টি শিশু। হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭০ জনের আর উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৯০ জন।
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও বরিশালে একজন করে শিশু মারা যায়। ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৭২৫ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯৫ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৫৩ শিশুর। এ সময় হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৪৪২ শিশুর। মোট আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৯৫ শিশু।
১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ২৩৯ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৪৬৭ জন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে ৩৬৩ শিশু। এরপর চট্টগ্রামে ২২০, বরিশালে ১৫৫, সিলেটে ১০১, ময়মনসিংহে ৫৫, খুলনায় ৪১, রাজশাহীতে ৩৪ এবং রংপুরে ২১ শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৬৫ হাজার, এরপর চট্টগ্রামে ২৪ হাজার ৪৯৮, বরিশালে ১৩ হাজার ৬৩২, রাজশাহীতে ১০ হাজার ১২২, খুলনায় ৮ হাজার ৮৬৫, সিলেটে ৭ হাজার ৯২২, ময়মনসিংহে ৬ হাজার ৫৪০ এবং রংপুরে ২ হাজার ৬১৬।
উল্লেখ্য, ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বিশেষ এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত ১ কোটি ৮৪ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে।










