তামাকপণ্য বন্ধে শুধু জনসচেতনতা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, আইন কঠোরভাবে কার্যকর করাও জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ মত ব্যক্ত করেন বিশেষজ্ঞরা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমিনা মনি। তিনি বলেন, তামাকপণ্যের প্রচার বন্ধে সরকারের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে বিজ্ঞাপন বন্ধের জন্য আইন প্রণয়ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের তামাক বিরোধী প্রচারণায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তামাক চাষীদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করাও আমাদের অগ্রাধিকার।
তিনি আরো বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন এবং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির মাধ্যমে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। তরুণ প্রজন্মকে এই প্রচারণায় অন্তর্ভুক্ত করে একটি সুস্থ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার কোনো বিকল্প নেই।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, তামাকজাত দ্রব্য মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এর নিকোটিন ও রাসায়নিক পদার্থ শরীরে নানা ধরনের জটিল রোগ সৃষ্টি করে। তামাক সেবনে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ফুসফুস ক্যানসারসহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়। প্রতি বছর বাংলাদেশে তামাকের কারণে ১ লাখ ৬১ হাজারেরও বেশি মানুষ অকালে মারা যায়।
তিনি আরো বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার মাধ্যমে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনা সম্ভব। সরকারকে এই বিষয়ে কঠোর হতে হবে।










