নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গতকাল দুপুরে স্ক্যানডেক্স নামের পোশাক কারখানায় ১৫-২০ জন নতুন শ্রমিক নিয়োগ দেয়াকে কেন্দ্র করে পুরনো শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেন। শ্রমিকদের দাবি নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা সন্ত্রাসী, তারা শ্রমিক নন। পরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষের বৈঠকের পর পরিস্থিতি শান্ত হলে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন।
শিল্প পুলিশ ও শ্রমিকরা জানান, সম্প্রতি স্ক্যানডেক্স কারখানা কর্তৃপক্ষ ১৫-২০ জন নতুন শ্রমিক নিয়োগ দেয়। নিয়োগপ্রাপ্তরা শ্রমিক নয়, সন্ত্রাসী বলে দাবি করেন কারখানার পুরনো শ্রমিকরা। তারা কারখানায় কাজ করলে পুরনো শ্রমিকরা কাজে যোগ দেবেন না। এ নিয়ে মঙ্গলবার শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন। এ সময় ওই নতুন শ্রমিকদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। পরে তিনজন নতুন শ্রমিককে পুরনো শ্রমিকরা আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেন। গতকাল দুপুরে পুরনো শ্রমিকরা নতুন শ্রমিকদের বাদ দেয়ার জন্য কর্মরিবতি শুরু করেন। এ সময় শ্রমিকরা অন্য কারখানার শ্রমিকদের একত্র করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শ্রমিকদের দাবি, কারখানার সিইও সাজিদ মাহমুদ কারখানার মালিককে না জানিয়ে আমাদের নিরীহ শ্রমিকদের শায়েস্তা করতে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসীকে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
শিল্পাঞ্চল পুলিশ-৪-এর নারায়ণগঞ্জ জোনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সৈকত শাহিন জানান, কারখানায় ১৫-২০ জন নতুন শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, তারা শ্রমিক নন, সন্ত্রাসী। কারখানার সিইও মালিককে না জানিয়ে এ নিয়োগ দিয়েছেন। নতুন শ্রমিকরা যদি কাজে যোগ দেন, তবে পুরনো শ্রমিকরা কাজ করবেন না। এর অংশ হিসেবে গতকাল তারা কাজ বন্ধ করে দিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন।
তিনি বলেন, নতুন শ্রমিকদের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। সত্যিই যদি তারা সন্ত্রাসী হয়, তবে তারা এ কারখানায় থাকবে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, যদি সিইও একাই নতুন শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকেন কিংবা তাদের নিয়োগপত্রে মালিকের স্বাক্ষর না থাকে, তাহলে সিইওর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়










