ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কেটেছে বাগেরহাটবাসীর। জানমালের ক্ষয়-ক্ষতির শঙ্কায় জেলার বেশিরভাগ মানুষই জেগেছিলেন সারারাত। ৩৪৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছিলেন ৭৩ হাজার ২০০ মানুষ। আজ মঙ্গলবার ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ফিরেছেন তারা।
সকাল থেকে আবহাওয়া রৌদ্রোজ্জ্বল থাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
এর আগে সোমবার সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ভারী বর্ষণ ও ঝড়ে জেলায় বিপুল পরিমাণ গাছ উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক বসতবাড়ি।
শরণখোলা উপজেলা সদরের ফায়েল খায়ের আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা জিলবুনিয়া গ্রামের অনিল ঋষি বলেন, ঘরের অবস্থা ভালো ছিল না। তাই রাতে আশ্রয় কেন্দ্রে ছিলাম। ছেলেমেয়ে নিয়ে শুধু মুড়ি ও চানাচুর খেয়ে রাত কাটিয়েছি। শুনেছিলাম আশ্রয় কেন্দ্রে ভালো খাবার দেয়া হবে, কিছুই দেয়া হয়নি।
আবুল হোসেন হাওলাদার নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, বউ-বাচ্চা নিয়ে আসছিলাম। সারারাত ঘুমাতে পারিনি। খাবার খেয়েছি না খাওয়ার মতো। তারপরও সরকারি জায়গায় নিরাপদে থাকতে পেরেছি এটা কম কোথায়।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান বলেন, জেলার ৩৪৪ আশ্রয় কেন্দ্রে ৭৩ হাজার ২০০ মানুষ আশ্রয় নিয়ে ছিল। ঝড়ের ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপণে আমরা কাজ শুরু করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।










