রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই আঞ্চলিক দলের গোলাগুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো একজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের দুই কিলো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের দুই কিলো এলাকায় পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) ও সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী এই গোলাগুলিতে ইউপিডিএফ’র (গণতান্ত্রিক) উপজেলা সমন্বয়ক জেনন চাকমা ও সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির এক কর্মী নিহত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম জানা যায়নি।

বাঘাইছড়ি উপজেলার রূপকারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শ্যামল চাকমা বলেন, দুপুরে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দুই কিলো এলাকায় গোলাগুলিতে দুইজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ-বিজিবি যাচ্ছে, আমিও সেখানে যাচ্ছি।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শরিফুল ইসলাম বলেন, দুপুরে দুই কিলো নামক স্থানে দুইজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আরও একজন আহত আছে বলে শুনেছি।

ইউপিডিএফ’র (গণতান্ত্রিক) কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্যামল কান্তি চাকমা (জালোয়া) অভিযোগ করেন, আমাদের দলের উপজেলা সমন্বয়ক জেনন চাকমা দোকানে বসে ছিল। এমন সময় সন্তু লারমার জেএসএস দলের কিছু সন্ত্রাসী তাকে গুলি করে হত্যা করে। তবে জনসংহতি সমিতির কর্মী কীভাবে মারা গেছে এই বিষয়ে তিনি ‘কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) কোনো নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাঘাইছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।