স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে যোগদান করেছেন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. শরীফ নাফে আস্‌-সাবের। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী আগামী চার বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, সদস্য এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ড. শরীফ নাফে আস্‌-সাবের একজন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একাডেমিক নেতা ও সুশাসন বিশেষজ্ঞ। তার কর্মজীবন দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে বিস্তৃত। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের আগে তিনি ওমানের সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের প্রিন্সিপলস অব ম্যানেজমেন্ট এডুকেশনের মধ্যপ্রাচ্য অধ্যায়ের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক ও ডিনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। সেখানে তিনি টেকসই উন্নয়নভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মাস্টার্স প্রোগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন।

এই শিক্ষাবিদ এর আগে মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রোগ্রামের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তাসমানিয়া ও ম্যাসি বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি একাডেমিক নেতৃত্ব দিয়েছেন। ড. শরীফ নাফে আস্‌-সাবেরের গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে সুশাসন, জননীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন। তিনি অস্ট্রেলিয়ান রিসার্চ কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে গবেষণার জন্য অনুদান লাভ করেছেন। একাডেমিক কাজের বাইরে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের স্থানীয় সরকারপ্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিক্ষাজীবনে ড. শরীফ নাফে আস্‌-সাবের অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে ডিগ্রি লাভ করেন। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারাহনাজ ফিরোজের প্রস্তাবিত তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি তাকে এই পদে নিয়োগের আদেশ দেন। শিক্ষা ও গবেষণায় তার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

—বিজ্ঞপ্তি