গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান; স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি বিষয়ক পরামর্শক ফারহানুল গণি চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে আরো ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি মিস এমা উইন্ড ও ইসাম মোসাদ্দেক।
বৈঠকে যুক্তরাজ্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে চলমান পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে আর্থিক খাতের আধুনিকায়ন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেমেন্ট সিস্টেম আধুনিকায়নসহ মানবসম্পদ উন্নয়ন বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন মিজ সারাহ কুক। এছাড়া ব্যাংক রেজল্যুশন আইনসহ আর্থিক খাত সংস্কার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আলোচনায় উঠে আসে অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়। বিশেষত, যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আসন্ন এফএটিএফ মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং ভিসা আবেদন সংক্রান্ত ব্যাংক হিসাব বিবরণী ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাইকরণ নিয়েও মতবিনিময় হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্য সরকারের ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।










