হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের বাড়তি আমদানি অব্যাহত থাকায় চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী অব্যাহত রয়েছে। আবারো মাত্র একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম কমল কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা। এদিকে পেঁয়াজের দাম কমা অব্যাহত থাকায় খুশি বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা। অপরদিকে মসলা জাতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজের দাম কমায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষজন।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে, তবে দাম আগের তুলনায় কমতির দিকে রয়েছে। একদিন আগে বন্দরে যে ইন্দোর জাতের প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারিতে ৩২ থেকে ৩৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ২৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে নতুন নগর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৩ টাকা কেজি দরে, এছাড়া নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৩৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মোজাম হোসেন বলেন, পূজার বন্ধ শেষে ভারতের মোকামগুলোতে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত লোডিং অব্যাহত থাকায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন থেকেই পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে। একইভাবে দেশের অন্য বন্দরগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। কিন্তু দেশের বাজারে সেই তুলনায় পেঁয়াজের চাহিদা একেবারে কম। অপরদিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কম হওয়ার কারণে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছিল, সেটি আবার কমে এসেছে। যে দেশীয় পেঁয়াজের দাম মণপ্রতি ২ হাজার টাকার ওপরে উঠে গিয়েছিল সেই পেঁয়াজের দাম এখন কমে ১ হাজার ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় নেমেছে। যে কারণে আমদানীকৃত পেঁয়াজের চাহিদা কমার কারণে দাম কমছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন থেকেই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের বাড়তি আমদানি অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে বন্দর দিয়ে যেখানে কমতে কমতে পেঁয়াজের আমদানি দুই থেকে ৫ ট্রাকে নেমেছিল, সেটি চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই ২০ থেকে ২৫ ট্রাকে উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে ২৪টি ট্রাকে ৬৮৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আমদানীকৃত এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে খালাস করে নিয়েছেন আমদানিকারকরা। পেঁয়াজ যেহেতু কাঁচামাল, তাই এটি যেন সব প্রক্রিয়া শেষে বন্দর থেকে দ্রুত খালাস করে নিতে পারেন আমদানিকারকরা, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।