বিভিন্ন আবহাওয়া ও স্টেডিয়ামে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রঙিন বলটি মাঠে নামানো হয়। তবে মাঠের খেলা শুরুর পর পরই বলটির ডিজাইনের মালিকানা বা স্বত্ব নিয়ে আইনি লড়াইয়ে পড়েছে জার্মান কোম্পানিটি। খবর এফটি।

মারিয়াস ডিটমার নামের জার্মান ডিজাইনারের দাবি, ট্রাইওন্ডা বলের নকশাটি মূলত তারই তৈরি চার প্যানেলের ফুটবল ডিজাইনের মতো।

সাধারণত ফুটবল তৈরিতে ৩২টি প্যানেল বা টুকরো ব্যবহার করা হলেও ডিটমার প্রথা ভেঙে মাত্র চারটি প্যানেলের বলের নকশা করেন। ডিটমারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘১৪২কে’ এরই মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইন্টেলিজেন্ট প্রপার্টি অফিসের কাছে অ্যাডিডাসের ডিজাইন স্বত্ব বাতিল করার আবেদন জানিয়েছে।

ডিটমার জানান, ২০২৫ সালের মার্চেই তিনি ডিজাইনের মিল নিয়ে অ্যাডিডাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি আইনি লড়াইয়ে না গিয়ে যৌথভাবে ব্যবসা করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু অ্যাডিডাস তাতে রাজি না হওয়ায় তিনি আইনি চ্যালেঞ্জের পথ বেছে নেন।

তার কোম্পানির দাবি, এটি কোনো নতুন বা মৌলিক ডিজাইন নয়। অন্যদিকে অ্যাডিডাস বলছে, দুটি বলের প্যানেল সংখ্যা এক হলেও এগুলোর জোড়াতালির বক্ররেখা, অনুপাত ও সামগ্রিক নকশা সম্পূর্ণ আলাদা। তাছাড়া বলের রঙ ও টেক্সচারের জন্য তাদের আলাদা ট্রেডমার্ক রয়েছে।

মিউনিখের লুডভিগ ম্যাক্সিমিলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিশেষজ্ঞ আনসগার ওহলি বলেন, ‘বিরোধের ফল যা-ই হোক না কেন, অ্যাডিডাসের ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে গ্রাহকরা আসল বলটি চিনতে ভুল করবেন না।’

ইইউআইপিও আগামী আগস্ট পর্যন্ত অ্যাডিডাসকে এ বিষয়ে জবাব দেয়ার সময় দিয়েছে। তবে অ্যাডিডাস জানিয়েছে, মামলার রায়ের কারণে তাদের ব্যবসা বা বল বিক্রিতে কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে না।