বৈশ্বিক স্বর্ণ উত্তোলনে সপ্তম ব্রাজিল। তবে দেশটিতে অবৈধভাবে স্বর্ণ উত্তোলনের পরিমাণ বেড়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ সালে ব্রাজিলের রফতানীকৃত স্বর্ণের ২৮ শতাংশই এসেছে অবৈধ খনি থেকে। ব্রাজিলের ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অব মানাজ গ্যারেস ও পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অভাবে অবৈধভাবে স্বর্ণ উত্তোলন ক্রমেই বাড়ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে ব্রাজিলে ৪৮ দশমিক ৯ টন স্বর্ণ অবৈধভাবে উত্তোলন করা হয়। ব্রাজিলের ক্ষুদ্র ও অনুমোদনহীন উত্তোলনকারীরা স্বর্ণ উত্তোলনে আইনের লঙ্ঘন করছে সবচেয়ে বেশি। সেসব স্থানে স্বর্ণ উত্তোলনের অনুমতি নেই, বিশেষ করে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত এলাকা এবং আদিবাসী এলাকা থেকে বেশির ভাগ অবৈধ উত্তোলন ও নিষ্কাশনের ঘটনা ঘটে থাকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিবেশগত কোনো ছাড়পত্র না নিয়েই স্বর্ণ উত্তোলন করা হয়। অ্যামাজন বনাঞ্চলের জন্য এ ধরনের কার্যক্রম হুমকিস্বরূপ। এছাড়া উন্মুক্তভাবে উত্তোলন ও নিষ্কাশনের ফলে পারদ মিশে নদীর পানি বিষাক্ত হয়ে উঠছে।

ব্রাজিলের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশটি ১১১ টন স্বর্ণ উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে রফতানি করা হয় ৯২ টন। এসব স্বর্ণের কিছু অংশ অবৈধ খনি থেকে আসতে পারে বলেও সরকারি তথ্যে উল্লেখ করা হয়। ২০১৯ ও ২০২০ সালে ব্রাজিলের রফতানীকৃত স্বর্ণের ৭২ শতাংশই কানাডা, সুইজারল্যান্ড ও গ্রেট ব্রিটেন ক্রয় করে।