যুক্তরাষ্ট্রের গম আমদানিতে শুল্ক হ্রাস বা মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভিয়েতনাম। দ্বিপক্ষীয় প্যাকেজের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ইন্দো-প্যাসিফিক সফরকালে এ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। গমের পাশাপাশি আরো অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাস অথবা মওকুফের বিষয়টি প্রযোজ্য হবে। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম।

শুল্ক মওকুফের এ সিদ্ধান্ত দ্রুতই বাস্তবায়ন হবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। এটি ভিয়েতনামের জনগণের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। এ সিদ্ধান্ত খাদ্যপণ্যের মূল্য হ্রাসে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে ভিয়েতনামের বর্ধনশীল গমের বাজারে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অবস্থান আরো শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে।

এ খবরের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের গম শিল্পের রফতানি বাজার উন্নয়ন সংস্থা ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েটস জানায়, এটি বাইডেন প্রশাসনের জন্য খুবই ভালো সংবাদ। প্রশাসন মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের (এফএএস) সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভিয়েতনামের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে। উদ্দেশ্য ভিয়েতনামের মিল মালিক ও ভোক্তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গমের দাম কমিয়ে আনা।

ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েটস আরো জানায়, চলতি বছর বৈশ্বিক পণ্যবাজার লাগাম ছাড়া হয়ে উঠেছে। ফলে অন্যান্য দেশের মতো ভিয়েতনামেও খাদ্যপণ্য ও গবাদিপশু খাদ্যের দাম চড়া। মহামারীজনিত কারণে দেশটির পণ্য সরবরাহ খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। স্থানীয় মিল মালিক ও ভোক্তাদের কথা বিবেচনা করে এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়ায় ভিয়েতনাম সরকার প্রশংসার দাবিদার।

ভিয়েতনাম প্রতি বছর ৩০ লাখ টনেরও বেশি গম আমদানি করে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে দেশটি থেকে বিভিন্ন জাতের প্রায় পাঁচ লাখ গম আমদানি করা হয়।