পিৎজা ও ইতালি দুটোই যেন সমার্থক শব্দ। তবে এর জনপ্রিয়তা এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে গেছে। ইতালির বাইরেও বিভিন্ন দেশের শেফ ও পাচকরা পিৎজা নিয়ে চালাচ্ছেন নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্বাদে-গুণে ইতালির পিৎজাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এর প্রমাণ মিলল সাম্প্রতিক ফিফটি টপ পিৎজা অ্যাওয়ার্ডস। ইতালিভিত্তিক সংস্থা ফিফটি টপ পিৎজার এ তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লোয়ার ইস্ট সাইডের রেস্তোরাঁ উনা পিৎজা নেপলেটানা। ২০২২ সালের মার্চে রেস্তোরাঁটি খোলেন মার্কিন পিৎজা শিল্পের অন্যতম দিকপাল অ্যান্থনি ম্যাঙ্গেরি। স্বীকৃতি পাওয়ার পর তিনি বলেন, ‘আমার ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে এভাবে স্বীকৃতি পাওয়া অনুপ্রেরণাদায়ক, বিশেষ করে পিৎজার উৎপত্তিস্থল নেপলস থেকে এ স্বীকৃতি পাওয়া।’ সেরা ৫০ বলা হলেও সাইটে ১০১টি রেস্তোরাঁর তালিকা দেয়া হয়েছে। ৪১টি রেস্তোরাঁ নিয়ে আধিপত্য বজায় রেখেছে ইতালি, এরপর যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে ১৫টি রেস্তোরাঁ। আবার এমন কিছু দেশ রয়েছে, যেগুলো পিৎজা শিল্পে ততটা পরিচিত নয়। যেমন দক্ষিণ কোরিয়া, বলিভিয়া ও ভারত। শীর্ষ পুরস্কার জেতা উনা পিজ্জা নেপলেটানা সম্পর্কে ফিফটি টপ পিৎজা সাইটে বলা হচ্ছে, ‘বাজারের ওপর নির্ভর করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন পিৎজা উপাদান পরিবর্তিত হয়। সেখানে অ্যান্থনি ম্যাঙ্গেরির পিৎজায় মানসম্পন্ন উপাদান ব্যবহারের পাশাপাশি এর টপিংয়ে ইতালীয় ঐতিহ্যের বিশুদ্ধতা রক্ষা করা হয়।’ অ্যান্থনি ম্যাঙ্গেরির বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে। শৈশবেই তিনি পিৎজার প্রেমে পড়েন। ‘নিখুঁত পিৎজা’র খোঁজে মা তাকে নিউজার্সি, নিউইয়র্ক ও কানেকটিকাটের সুপরিচিত সব রেস্তোরাঁয় নিয়ে যান। পেশাজীবনে ঐতিহ্যবাহী পিৎজা তৈরিতে প্রাকৃতিক ইস্টযুক্ত খামি ও জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করা হয় এমন ওভেন বেছে নেন অ্যান্থনি ম্যাঙ্গেরি। উপাদান হিসেবে থাকে সেরা সান মারজানো টমেটো, আমালফি ওয়াইল্ড অরেগানো, বাফেলো মোজারেলা ডিওপি ও সিসিলিয়ান সামুদ্রিক লবণ। উনা পিৎজা নেপলেটানার পর তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছে ইতালির নেপলসের দিয়েগো ভিটাগ্লিয়ানো পিৎজারিয়া ও কাসের্টার আই মাসানিলি। শীর্ষ পাঁচে আরো রয়েছে দ্য পিৎজা বার ইন থার্টি এইটথ (টোকিও, জাপান), কনফাইন (মিলান, ইতালি) ও নেপোলি অন দ্য রোড (লন্ডন, ইংল্যান্ড)। খবর ও ছবি সিএনএন