নারায়ণগঞ্জে ডালের দাম আরেক দফা বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মুগ ও অ্যাংকর ডালের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ১২ টাকা ও ৯ টাকা করে। অন্যান্য জাতের ডালের দামও বেড়েছে ২-৩ টাকা হারে। মৌসুমি ডাল বাজারে ওঠার পরও রহস্যজনকভাবে বাড়ছে পণ্যটির দর।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিতাইগঞ্জে পাইকারি পর্যায়ে দেশী মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা দরে। একই ডাল কিছুদিন আগেও ১২৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এর দাম বেড়েছে ২ টাকা। দিল্লি সুপার ডাল ১৩২ টাকা থেকে কেজিপ্রতি ২ টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৩৪ টাকায়। তবে মসুর বোল্ডার ডালের দর মাসখানেক ধরে ১০২ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ফাটি মসুর ডাল। তবে এর দাম দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ৬ টাকা বেড়েছে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে ৯৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে ফাটি মসুর।
কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৮৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খেসারি ডাল। বুটের ডাল ৮৫ টাকা থেকে সপ্তাহের ব্যবধানে ২ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৮৭ টাকায় উঠেছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মুগ ডালের দাম। সপ্তাহ দুই আগে ১২৮ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে কেজিপ্রতি ১২ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকায়। আর ৫৬ টাকা থেকে ৯ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অ্যাংকর জাতের ডাল।
নিতাইগঞ্জের ডাল ব্যবসায়ী বিষ্ণু সাহা জানান, দেশে শীতকালে বাজারে নতুন ডাল ওঠে। কিন্তু এ ভরা মৌসুমেও ডালের দাম কেন বাড়ছে, তা বুঝতে পারছি না। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুগডাল ও অ্যাঙ্কর ডালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
আরেক ব্যবসায়ী কৃষ্ণ সাহা বলেন, ‘মিলগেইট থেকে যে রেটে মাল ছাড়া হয় আমরা সে রেটে কিনে এনে সামান্য লাভে বিক্রি করে থাকি। এখন ডালের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাজারে বিক্রি কমে গেছে। যে হারে ডালের দাম বেড়েছে, এতে ক্রেতারা খুব বিপাকে পড়েছে। কারণ ফাটি ও বোল্ডার মসুর ডাল সবসময় ৮০-৯০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতো। কিন্তু হঠাৎ করে এ দুই প্রকার ডালের দাম এক লাফে শতকের ঘরে চলে গেল।’










