অনাবৃষ্টি ও রেকর্ড শুষ্কতম সেপ্টেম্বর পার করল অস্ট্রেলিয়া। এতে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কৃষিপণ্য রফতানিকারক দেশটি। গতকাল অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরো জানায়, সেপ্টেম্বরে দেশটি তার সবচেয়ে শুষ্কতম মাস পার করেছে। এর সঙ্গে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়েছে। খবর রয়টার্স।
এল নিনো প্যাটার্নের কারণে অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ক্রমেই গরম ও শুষ্ক হয়ে আসছে। এরই মধ্যে গত মাসে দেশটির তাপমাত্রা রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। তবে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষক উপকৃত হয়েছেন। কিন্তু প্রধান গম উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো শুষ্ক আবহাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ২০২৩-২৪ বিপণন বছরের গড় আয় ৪১ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছে দেশটির সরকার।
আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৯৬১-৯০ সময়কালের গড় থেকেও ৭০ দশমিক ৮ শতাংশ কম রেকর্ড করা হয়েছে। মে মাস থেকে পাঁচ মাস ধরে অস্ট্রেলিয়ার বেশির ভাগ অঞ্চল কম বৃষ্টিপাত সমস্যায় ভুগছে। প্রত্যাশিত বৃষ্টির অভাবে ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে মাটির আর্দ্রতা নেমে গেছে। নতুন নতুন এলাকায় এ সমস্যা সম্প্রসারণ হচ্ছে। উত্তর ও মধ্যাঞ্চল বাদে অস্ট্রেলিয়ার বেশির ভাগ অংশেই সেপ্টেম্বরে মাটির আর্দ্রতা ৩০ শতাংশ কমে গেছে। ১৯১১ সালের পর থেকে এটিই সর্বনিম্ন রেকর্ড।
চলতি সপ্তাহের সর্বশেষ পূর্বাভাসে আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে, আগামী নভেম্বর ও জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ৬০-৮০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে।










