এ সময় কোম্পানিটির ব্লক মার্কেটের শেয়ারও স্পট সেটলমেন্ট সাইকেলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। পরে ৩১ মার্চ রেকর্ড ডেট-সংক্রান্ত কারণে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএনভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৮ টাকা ৯৫ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা ৫৯ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৮৫ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ১৫ পয়সায়।

রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএএ’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।

১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬২৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭। এর ৬৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ৬১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।